বন্ধ করুন
নাটোর হাসপাতালে ১৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই, টর্চলাইটে চিকিৎসা
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


নাটোর হাসপাতালে ১৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই, টর্চলাইটে চিকিৎসা


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট:
নাটোর হাসপাতালে ১৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই, টর্চলাইটে চিকিৎসা
নাটোর হাসপাতালে ১৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই, টর্চলাইটে চিকিৎসা
Featured Image

দুপুর ১২টায় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর রাত ১টা পর্যন্ত তা আর আসেনি। বাধ্য হয়ে টর্চলাইটের আলোয় নাটোরের সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবা চালাতে হচ্ছে। টানা ১৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চিকিৎসা দিতে চরম বেগ পেতে হচ্ছে চিকিৎসক-নার্সদের। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাসপাতালে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা। শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা থেকে এই দুরাবস্থা শুরু হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ার ফলে ৫০ শয্যার ওই হাসপাতালটি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। দিনভর বিদ্যুৎ ছাড়াই রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে হয়েছে। তবে বিপত্তি ঘটে দিনের আলো নিভে যাওয়ার পর। সন্ধ্যার পর থেকে হাসপাতালের নিরাপত্তার নিয়োজিত আনসার সদস্যদের টর্চলাইটের আলোতে চিকিৎসকদের চিকিৎসা দিতে দেখা গেছে। নার্সদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ইনজেকশন দেওয়ার সময় আনসার সদস্যদের লাইট ধরে থাকতে দেখা যায়।

জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, শিশু ও বৃদ্ধসহ সব বয়সের রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ১৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে রোগীদের সেবা দিতে হচ্ছে। ভর্তি হতে আসা এবং জরুরি বিভাগের রোগীদের অনলাইনভিত্তিক টিকিট দেওয়া সম্ভব হয়নি। এদিকে ভর্তি থাকা রোগীরা জানিয়েছেন, সন্ধ্যায় জেনারেটর চালু করা হলেও তেল সংকটে তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ফলে মোবাইলের লাইট জ্বালিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় কাজ করতে হচ্ছে।

নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সিংড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম সিদ্দিকুর রহমান জানান, ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ার খবর পাওয়ার পর থেকেই মেরামতের কাজ চলছে। সমস্যাটি জটিল হওয়ায় রবিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে। তিনি হাসপাতালের রোগী এবং স্বজনদের ধৈর্যের সঙ্গে অপেক্ষা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। বিদ্যুৎহীন এই পরিস্থিতির জন্য দায়িত্বশীলরা পল্লী বিদ্যুতের গাফিলতিকে দায়ী করছেন। রোগীর স্বজনরা জানান, শ্বাসকষ্টের রোগীকে সময় মতো গ্যাস দেওয়া সম্ভব হয়নি এবং গরমে উচ্চ রক্তচাপের রোগীরাও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।