বন্ধ করুন
গাইবান্ধায় মাদ্রাসার ভেতরে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ,পল্লী চিকিৎসক হাসান আলীর বিরুদ্ধে থানায় এজাহার
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


গাইবান্ধায় মাদ্রাসার ভেতরে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ,পল্লী চিকিৎসক হাসান আলীর বিরুদ্ধে থানায় এজাহার


মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদ
মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদ উপজেলা প্রতিনিধিঃ সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট:
গাইবান্ধায় মাদ্রাসার ভেতরে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ,পল্লী চিকিৎসক হাসান আলীর বিরুদ্ধে থানায় এজাহার
গাইবান্ধায় মাদ্রাসার ভেতরে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ,পল্লী চিকিৎসক হাসান আলীর বিরুদ্ধে থানায় এজাহার
Featured Image

গাইবান্ধায় একটি আবাসিক মহিলা মাদ্রাসার ভেতরে এক ছাত্রীকে (১৪) জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ওই মাদ্রাসার পরিচালক ও স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম হাসান আলী ডাক্তার (৬২)।

তিনি গাইবান্ধা জেলার রামচন্দ্রপুর (পোদ্দারবাড়ীর মোড়) এলাকার মৃত কলিম উদ্দিনের ছেলে এবং 'দিনের দিশারী মহিলা হাফেজিয়া ও কওমী মাদ্রাসা' নামের একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও পল্লী চিকিৎসক।

থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,ভুক্তভোগী কিশোরী ওই মাদ্রাসার হেফজ আবাসিক শাখার ছাত্রী ছিল। দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত হাসান আলী তাকে বিভিন্ন প্রলোভন ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল।

গত ২৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখ ভোর আনুমানিক পৌনে ৭টার দিকে জরুরি কথা বলার বাহানা করে ওই ছাত্রীকে মাদ্রাসার ভেতরে তার নিজ বসতবাড়ির একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে যান হাসান আলী। সেখানে মেয়েটির মুখ চেপে ধরে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার পর বিষয়টি কাউকে জানালে মেয়েটিকে খুন করে লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয় এবং তার মোবাইল ফোনটি কেড়ে নিয়ে পরিবারের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে গত ৩১ আগস্ট পরিবারের সদস্যরা কৌশলে যোগাযোগ করতে সমর্থ হন এবং ১ সেপ্টেম্বর কয়েকজন সাক্ষীসহ মাদ্রাসায় গিয়ে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

ঘটনার বিষয়ে পারিবারিক ভাবে আলোচনার পর থানায় এসে এজাহার দিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।