বন্ধ করুন
জনপ্রিয় হচ্ছে বাংলা কিউআর, দৈনিক লেনদেন ছাড়াল ১২০ কোটি টাকা
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


জনপ্রিয় হচ্ছে বাংলা কিউআর, দৈনিক লেনদেন ছাড়াল ১২০ কোটি টাকা


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট:
জনপ্রিয় হচ্ছে বাংলা কিউআর, দৈনিক লেনদেন ছাড়াল ১২০ কোটি টাকা
জনপ্রিয় হচ্ছে বাংলা কিউআর, দৈনিক লেনদেন ছাড়াল ১২০ কোটি টাকা
Featured Image

দেশে ‘এক দেশ, এক কিউআর’ ব্যবস্থা চালুর পর থেকে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেন দ্রুত বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, বর্তমানে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২০ কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে। ফলে সপ্তাহে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭০০ কোটি টাকারও বেশি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, জুলাইয়ের শুরুতে বাংলা কিউআরে দৈনিক গড়ে প্রায় ১ লাখ ৭৮ হাজার লেনদেন হতো, যার আর্থিক পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে দৈনিক লেনদেনের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৩ লাখ ৩ হাজারে এবং আর্থিক পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১১০ কোটি ৩৮ লাখ টাকায়। একই সময়ে ২১ জুলাইয়ের মধ্যে এ ব্যবস্থা ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীর সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ থেকে বেড়ে ৩০ লাখের বেশি হয়েছে।

চলতি বছরের ১ জুলাই দেশে বাধ্যতামূলক ‘এক দেশ, এক কিউআর’ চালুর সিদ্ধান্তের পর বিভিন্ন ব্যাংক ও এমএফএস প্রতিষ্ঠান নিজস্ব কিউআরের বদলে বাংলা কিউআরে যুক্ত হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘আমরা চাই, লেনদেনের এই গতি অব্যাহত থাকুক।’ তিনি জানান, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বা এমডিআর নিয়ে দ্বিধা দূর করতে ভর্তুকি দেওয়ার বিষয়েও চিন্তাভাবনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

একটি কিউআর কোড দিয়ে সব ধরনের ব্যাংক ও এমএফএস হিসাব থেকে মূল্য পরিশোধের সুযোগ হওয়ায় গ্রাহকদের ঝামেলা কমেছে। নিউমার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা তুহিন ইসলাম বলেন, আগে দোকানে নির্দিষ্ট সেবার কিউআর না থাকলে সমস্যায় পড়তে হতো, এখন এক কিউআর দিয়ে যেকোনো হিসাব থেকে পরিশোধ করা যাচ্ছে। এতে বড় ধরনের ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।

ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা জানান, এই ব্যবস্থা নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি ও খুচরা টাকার ঝামেলা কমিয়েছে। মতিঝিলের ইলেকট্রনিক পণ্যের বিক্রেতা রায়হানুল ইসলাম এবং আজিমপুরের জুস বিক্রেতা আলতাফ হোসেন জানান, কোড স্ক্যান করে সরাসরি টাকা নেওয়ার সুবিধা কেনাবেচাকে সহজ করেছে। পাইকারি ক্রেতা মাহিন হোসেনের মতে, এর ফলে নগদ অর্থ সাথে নিয়ে ঘোরার ঝুঁকি দূর হয়েছে।