বন্ধ করুন
গোবিন্দগঞ্জে ৩২ বছর আগের হত্যাকাণ্ড: পরকীয়া ঢাকতে স্বামীকে বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগে থানায় এজাহার
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


গোবিন্দগঞ্জে ৩২ বছর আগের হত্যাকাণ্ড: পরকীয়া ঢাকতে স্বামীকে বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগে থানায় এজাহার


মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদ
মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদ উপজেলা প্রতিনিধিঃ সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)
প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট:
গোবিন্দগঞ্জে ৩২ বছর আগের হত্যাকাণ্ড: পরকীয়া ঢাকতে স্বামীকে বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগে থানায় এজাহার
গোবিন্দগঞ্জে ৩২ বছর আগের হত্যাকাণ্ড: পরকীয়া ঢাকতে স্বামীকে বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগে থানায় এজাহার
Featured Image

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পরকীয়া প্রেম টিকিয়ে রাখতে দুধের সাথে বিষ মিশিয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ এনে দীর্ঘ ৩২ বছর পর থানায় একটি এজাহার দাখিল করা হয়েছে। উপজেলার তরফকামাল গ্রামের মৃত কছিম উদ্দীনের ছেলে কবেজ আলী বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এজাহারের বিবরণ সূত্রে জানা যায়,১৯৮৭ সালের দিকে বাদীর চাচাতো ভাই জরিপপুর গ্রামের মৃত আজিজার শেখের ছেলে মো. ঘেংগারু শেখের (২৮) সাথে একই গ্রামের মৃত ইছাহাক আলী শেখের মেয়ে মোছা.রেশনা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই ঘেংগারু শেখ শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন। পরবর্তীতে রেশনা বেগমের ছোট বোন রাশেদা বেগমের বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী গোয়ালপাড়া গ্রামের মৃত নকিম উদ্দীনের ছেলে মন্ডু মিয়ার (৫৮) সাথে।

ছোট বোনের জামাই হিসেবে শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত যাতায়াতের এক পর্যায়ে রেশেনা বেগমের সাথে মন্ডু মিয়ার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি টের পেয়ে ঘেংগারু শেখ প্রতিবাদ করলে দুজনের মধ্যে চরম বিরোধের সৃষ্টি হয়। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, অবৈধ সম্পর্ক বজায় রাখতে রেশেনা ও মন্ডু মিয়া পূর্বপরিকল্পিতভাবে ১৯৯৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর (বুধবার) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ঘেংগারু শেখকে দুধের সাথে বিষ মিশিয়ে খেতে দেয়।

সরল বিশ্বাসে বিষ মেশানো দুধ পান করার পরপরই ঘেংগারু শেখ তীব্র যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন। তখন অভিযুক্তরা ঘরের দরজায় বাইরে থেকে শিকল তুলে দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯৪ তারিখে তিনি মারা যান।

বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন,ঘটনার পর পরই মামলা করতে গেলে তৎকালীন স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের বাধার মুখে তারা কোনো আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারেননি। বর্তমানে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এনে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।