গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বামনডাঙ্গার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত মোহনা পাঠাগার-এর ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা,কবিতা আবৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে পাঠাগারের সদস্য,স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষার্থী ও সাহিত্যপ্রেমীরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, জ্ঞানচর্চা ও নতুন প্রজন্মকে বই মুখী করার উপর গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়।সভাপতি শেখ রাসেল এর সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন সাবেক সভাপতি জনাব তৌফিকুর রহমান আইনী মুকুট, সাইফুল ইসলাম,চৌধুরী কামরুল হাসান কাজল,সাবেক সা: সম্পাদক মমতাজুর রহমান মন্ডল, ফয়সাল সাকিদার, শিক্ষক নেতা উপাধ্যক্ষ নাসরিন সুলতানা,বামনডাংগা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জননেতা এম এ গাফফার মোল্লা, বামনডাংগা শিশু নিকেতনের এন্ড মডেল হাই স্কুলের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাশেম প্রমূখ। সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক রাজকুমার লিটন। শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন,পাঠাগার হচ্ছে জ্ঞানচর্চার স্থান ও জ্ঞানের ভান্ডার। মানুষকে সুস্থ ধারায় ফিরে আসতে পাঠাগারের বিকল্প নেই। দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে মোহনা পাঠাগার স্থানীয় মানুষের মাঝে জ্ঞান ও সংস্কৃতি চর্চার সুযোগ সৃষ্টি করে আসছে। একটি আলোকিত ও সচেতন সমাজ গঠনে পাঠাগার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
পরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তিসহ বিভিন্ন আয়োজন উপস্থিত সবাইকে আনন্দিত করে। তবে পাঠাগার সংশ্লিষ্ট কয়েকজন শিক্ষিত যুবক অভিযোগ করে বলেন,উপজেলার শ্রেষ্ঠ এই ঐতিহ্যবাহী পাঠাগারটি বিগত সরকারের আমলে আধুনিকায়ন হলেও বাড়েনি পাঠকের সংখ্যা। হারিয়ে যেতে বসেছে পাঠাগারের নিজস্ব সহকীয়তা। এটাকে রক্ষা করতে হলে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন।