গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার দক্ষিণ খাটিয়ামারী ২ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চালের টিন ও দরজা অপসারণ করে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের কিছু টিন ও দরজা খুলে একটি বাসাবাড়িতে নেওয়া হয়েছে এবং অবশিষ্ট টিন বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্পদ এভাবে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার ও বিক্রির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, সরকারি সম্পদ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া অপসারণের কোনো সুযোগ নেই। বিদ্যালয়ের পুরোনো ও নতুন টিনের হিসাব, অপসারণের লিখিত অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র তদন্ত করলেই প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। সরকারি সম্পদ রক্ষায় অবিলম্বে বিষয়টি খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মমিনুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে