বন্ধ করুন
হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ২৭৬ কোটি টাকার মামলা
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ২৭৬ কোটি টাকার মামলা


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট:
হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ২৭৬ কোটি টাকার মামলা
হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ২৭৬ কোটি টাকার মামলা
Featured Image

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে বিভিন্ন ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করে। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির সচিব সাইদুর রহমান সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলার অপর আসামি হলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস্-এর (বিএবি) সাবেক সভাপতি এবং এক্সিম ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ের বিভিন্ন ঘটনার উল্লেখ করে এই মামলা করা হয়।

দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে ট্রাস্টের নামে অর্থ সংগ্রহ করেন। সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই দেশের ৪১টি তফসিলি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে এই অর্থ নেওয়া হয়। এর মাধ্যমে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়েছে বলে মামলার অভিযোগে জানানো হয়েছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, তৎকালীন বিএবি সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার নির্বাহী কমিটির সভার নির্ধারিত এজেন্ডায় বিষয়টি না রেখে তা বিবিধ আলোচনায় উপস্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টের অনুকূলে অর্থ বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোতে চিঠি পাঠিয়ে এসব অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে দুদক জানিয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালের নিবন্ধিত দলিল অনুযায়ী শেখ হাসিনা ট্রাস্টের আজীবন সভাপতি এবং তার অনুপস্থিতিতে শেখ রেহানা সভাপতির দায়িত্ব পালনের কথা রয়েছে।