বন্ধ করুন
গোবিন্দগঞ্জে তিন ইউনিয়নের সনাতন সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান, উদ্বোধন বারুনীতলা মহাশ্মশানের
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


গোবিন্দগঞ্জে তিন ইউনিয়নের সনাতন সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান, উদ্বোধন বারুনীতলা মহাশ্মশানের


মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদ
মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদ উপজেলা প্রতিনিধিঃ সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)
প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
গোবিন্দগঞ্জে তিন ইউনিয়নের সনাতন সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান, উদ্বোধন বারুনীতলা মহাশ্মশানের
গোবিন্দগঞ্জে তিন ইউনিয়নের সনাতন সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান, উদ্বোধন বারুনীতলা মহাশ্মশানের
Featured Image

দীর্ঘদিনের ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তিন ইউনিয়নের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য উদ্বোধন করা হয়েছে বারুনীতলা মহাশ্মশান।

উপজেলার হরিরামপুর, রাখালবুরুজ ও নাকাই ইউনিয়নের সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষের দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট শ্মশানঘাট না থাকায় নানা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। অনেক সময় নদীর পাড়ে দাহ কিংবা মাটিতে সমাধি দিতে বাধ্য হতেন তারা। স্থায়ী শ্মশান নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও দীর্ঘদিনের মতবিরোধ, অর্থসংকট ও নানা জটিলতার কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

অবশেষে সব মতভেদ ভুলে তিন ইউনিয়নের সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রায় ৪০ শতক জমির ওপর নির্মাণ করেন বারুনীতলা মহাশ্মশান।

সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে মহাশ্মশানটির উদ্বোধন করেন কমিটির সভাপতি নিরুপম চন্দ্র সরকার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি দীপক কুমার কর, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক নিলুময় রায়, সমাজসেবী একেএম নুর হাসান মুক্তাসহ স্থানীয় সনাতন সম্প্রদায়ের ভক্তবৃন্দ।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্থায়ী মহাশ্মশান চালু হওয়ায় তিন ইউনিয়নের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দ ফিরে এসেছে। এখন প্রিয়জনের মৃত্যুর পর শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে তাদের আগের মতো অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগে পড়তে হবে না।

তাদের মতে, জীবনের শেষ বিদায়ের জন্য একটি স্থায়ী, নিরাপদ ও নির্দিষ্ট স্থান নিশ্চিত হওয়া তিন ইউনিয়নের সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার বাস্তবায়ন।