বন্ধ করুন
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনের অনুপম ভারসাম্য
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনের অনুপম ভারসাম্য


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনের অনুপম ভারসাম্য
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনের অনুপম ভারসাম্য
Featured Image

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনে ভারসাম্যের অর্থ হলো একটি অধিকার পূরণ করতে গিয়ে অন্য অধিকার ধ্বংস না করা। তিনি ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে দয়ালু, যাঁর কোমলতা কখনো সত্য ও ন্যায়ের সঙ্গে আপস করার অর্থ ছিল না। আয়েশা (রা.) বলেন, ব্যক্তিগত বিষয়ে কষ্ট দেওয়া হলে তিনি প্রতিশোধ নেননি, তবে আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয় লঙ্ঘিত হলে ব্যবস্থা নিয়েছেন।

ভুল সংশোধনে রাসুলুল্লাহ (সা.) শুধু ধমক বা অপমানের পথ বেছে নেননি, বরং বুঝিয়েছেন ও শিক্ষা দিয়েছেন। মসজিদে প্রস্রাবের ঘটনায় তিনি সাহাবিদের থামিয়ে দিয়ে এক বালতি পানি ঢেলে দিতে বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তাদের কঠিনকারী হিসেবে নয়, বরং সহজকারী হিসেবে পাঠানো হয়েছে।

পুত্র ইবরাহিমের মৃত্যুর সময় তিনি কেঁদে বলেছেন চোখ অশ্রুসিক্ত হয় এবং হৃদয় দুঃখিত হয়, কিন্তু রবের অসন্তুষ্ট হওয়ার মতো কিছু বলেন না। ইসলাম মানুষের অনুভূতিকে হত্যা করে না, বরং ঈমানের সীমার মধ্যে তা পরিশুদ্ধ করে। পরিবারে তিনি অত্যন্ত কোমল ছিলেন এবং ঘরের কাজে সহযোগিতা করতেন।

নেতৃত্বে তিনি অত্যন্ত সাহসী হলেও কখনো বেপরোয়া ছিলেন না এবং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের পাশাপাশি বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা করেছিলেন। হিজরতের সময় তিনি উপযুক্ত সঙ্গী নির্বাচন, ভিন্ন পথ অবলম্বন ও দক্ষ পথপ্রদর্শকের সহায়তা নিয়েছিলেন। ইবাদতের ক্ষেত্রেও তিনি দ্বিনকে কোনো বোঝা বানাননি এবং সঠিক পথে সাধ্যের কাছাকাছি থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

সালমান (রা.) ও আবু দারদা (রা.)-এর ঘটনায় রবের অধিকারের পাশাপাশি নিজের ও পরিবারের অধিকারের বিষয়টিও স্পষ্ট হয়েছে। সালমান (রা.) অতিরিক্ত ইবাদতকারী আবু দারাদাকে বলেছিলেন, তোমার ওপর তোমার নিজের, রবের এবং পরিবারের অধিকার আছে, তাই প্রত্যেক অধিকারীকে তার অধিকার দাও।