বন্ধ করুন
‘সাত দিনেও শয্যা পাইনি’—স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সামনে রোগীর ক্ষোভ, অনুপস্থিত ফার্মাসিস্টকে বদলির নির্দেশ
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


‘সাত দিনেও শয্যা পাইনি’—স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সামনে রোগীর ক্ষোভ, অনুপস্থিত ফার্মাসিস্টকে বদলির নির্দেশ


 স্বপন রবি দাশ
স্বপন রবি দাশ জেলা প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ
প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
‘সাত দিনেও শয্যা পাইনি’—স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সামনে রোগীর ক্ষোভ, অনুপস্থিত ফার্মাসিস্টকে বদলির নির্দেশ
‘সাত দিনেও শয্যা পাইনি’—স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সামনে রোগীর ক্ষোভ, অনুপস্থিত ফার্মাসিস্টকে বদলির নির্দেশ
Featured Image

হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে রোগী ও স্বজনদের নানা অভিযোগ শুনেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। চিকিৎসাসেবার মান, জনবলসংকট ও হাসপাতালের পরিবেশ নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। দায়িত্বে অনুপস্থিত থাকায় রিগান হোসেন নামে এক ফার্মাসিস্টকে তাৎক্ষণিক বদলির নির্দেশও দেন মন্ত্রী।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি সার্জারি বিভাগ, বহির্বিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি এবং হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ নেন।

পরিদর্শনের সময় এক শিশুর মা মন্ত্রীর কাছে হাসপাতালের সেবা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, হাসপাতালে ভর্তি থাকার পরও স্যালাইন ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। এমনকি সাত দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও তিনি শয্যা পাননি বলেও অভিযোগ করেন।

রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ শোনার পর হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সংকট, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং চিকিৎসাসেবার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অবহেলা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

হাসপাতালের সেবার মান দ্রুত উন্নত করার পাশাপাশি দালাল চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এ সময় হাম প্রতিরোধে আগামী তিন সপ্তাহ পর সারা দেশে আবারও টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনার কথা জানান তিনি। শিশুদের টিকার আওতায় আনার পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতন করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক জিএম সরফরাজ, জেলা পরিষদের প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিব, ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আমিনুল হক সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।