বিমা কোম্পানিগুলোর তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গোপন বা অতিরিক্ত ডাবল সার্ভার আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে বন্ধ করে সব তথ্য একীভূত করার নির্দেশ দিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। নির্দেশনা না মানলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইডিআরএ চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন।
শুক্রবার কুমিল্লার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে (বার্ড) ইন্স্যুরেন্স রিপোর্টার্স ফোরামের (আইআরএফ) আয়োজিত কর্মশালায় তিনি জানান, কোম্পানিগুলো নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে দেয়া তথ্য সবসময় প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে না। গ্যারেজ বা বিছানার নিচে সার্ভার লুকিয়ে রাখলেও তা শনাক্ত করা হবে এবং আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বিমা খাতে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি ব্যবস্থা চালু হবে।
তিনি আরও জানান, আগামী সপ্তাহ থেকে সঙ্কটে থাকা কয়েকটি বিমা কোম্পানির সম্পদ বিক্রি ও নগদায়নের অর্থ দিয়ে গ্রাহকদের বকেয়া দাবি পরিশোধ শুরু হবে এবং প্রথম ধাপে সাত থেকে আটটি কোম্পানিকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হচ্ছে। পাশাপাশি তিন থেকে চার মাসের মধ্যে অভিন্ন ইউনিক পলিসি আইডি চালু করা হবে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর ও বিএসইসির সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করে বিমা কোম্পানির তথ্য গোপনের সুযোগ বন্ধ করা হবে বলেও জানান তিনি। আইডিআরএতে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কোম্পানির বিরুদ্ধে সরাসরি আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আইআরএফের সভাপতি গোলাম মওলার সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা কাজীম উদ্দিন এবং কোম্পানিটির প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা প্রবীর চন্দ্র দাস। 'কোম্পানির বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে সহজে নিউজ লেখার কৌশল' এবং আর্থিক প্রতিবেদন ও তথ্য বিশ্লেষণবিষয়ক এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।