হিমালয় অঞ্চলে ব্যাপক বন্যা ও ভূমিধসে নেপাল ও তিব্বতে অন্তত ৩৯০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ১৪০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। কাদা ও পাথরের বিশাল স্তূপ নদীর গতিপথ আটকে দেওয়ায় এই ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যা স্থানীয় জনপদ ও উপত্যকাগুলোকে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।
উদ্ধারকর্মীরা বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের খুঁজতে এবং দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জরুরি ত্রাণ পৌঁছে দিতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করছেন। ভারতের পক্ষ থেকে পাঠানো তাঁবু, খাদ্য ও ওষুধ বিতরণ করা হচ্ছে এবং পাঁচ হাজারের বেশি সেনা ও পুলিশ উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছেন।
নেপালি কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এলাকার কোনো ভূমিকম্পের কারণে হিমবাহের নিচের অংশ ভেঙে আকস্মিক এই বন্যার সৃষ্টি হতে পারে। তবে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের মতো ওই ভূকম্পন মূলত হিমবাহের শিলা ও বরফের হঠাৎ ধসের কারণে তৈরি হওয়া শক্তি।
যুক্তরাষ্ট্র সরকার দুর্যোগ মোকাবিলায় পাঁচ লাখ ডলার জরুরি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে এবং জাতিসংঘ তহবিল থেকে বিশ লাখ ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে।