মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট বিকালে খাগড়াছড়ির একটি কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় নাগরিক পার্টির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেন, আন্দোলনটা ছিল যৌক্তিক কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং সে সময় পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জেলার ভাই-বোন ও শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য যৌক্তিক মাত্রায় কিছু কোটা রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সমতলের মানুষের তুলনায় পাহাড়ের মানুষের কষ্ট অনেক বেশি উল্লেখ করে তিনি জানান, শিক্ষা, চাকরি ও বসবাসসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশি প্রতিকূলতার মুখোমুখি হওয়ায় পাহাড়ের মানুষের একটি যৌক্তিক মাত্রায় অগ্রাধিকার থাকা উচিত।
তবে এই কোটা ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে সারজিস বলেন, প্রাপ্য ব্যক্তিকে সুযোগ না দিয়ে একটি সিন্ডিকেট লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এবং পার্বত্য জেলা পরিষদ নিয়েও বিএনপির বিরুদ্ধে দলীয় কোটা চালুর অভিযোগ করেন তিনি। বিএনপির এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের দলীয়করণ দেশের জন্য ভালো ফল বয়ে আনবে না এবং পার্বত্য তিন জেলা পরিষদ গঠনে বিভিন্ন ধরনের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও শোনা যাচ্ছে।
বিএনপিকে সতর্ক করে তিনি বলেন, তারা বিরোধী দল হতে পারেন এবং বিএনপির ভালো কাজকে ভালো বলার পাশাপাশি সমালোচনার জায়গায় সমালোচনা করবেন। সমালোচনা করলে চোখ তুলে নেওয়া কিংবা রক্তাক্ত করার হুমকি দিলেও তারা পিছপা হবেন না এবং বিএনপিকে দ্রুত হেদায়েতের পথে ফিরে এসে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে এবং শত শত কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।