বন্ধ করুন
বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কিনবে টিসিবি
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ২৯ আগস্ট ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ২৯ আগস্ট ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কিনবে টিসিবি


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কিনবে টিসিবি
বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কিনবে টিসিবি
Featured Image

নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কেনার পরিকল্পনা করেছে সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ বা টিসিবি। ভোজ্যতেল, মসুর ডাল ও চিনির পাশাপাশি ছোলা ও খেজুরও কিনবে সংস্থাটি। টিসিবির চেয়ারম্যান ফয়সল আজাদ জানিয়েছেন, নিত্যপণ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারি সহায়তায় পণ্য পাওয়া ভোক্তাদের জন্য ক্রয় ও মজুত ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হচ্ছে।

চলতি অর্থবছরের ক্রয় পরিকল্পনার আওতায় স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে ২২ কোটি লিটার ভোজ্যতেল, ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল, ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন চিনি, ১৪ হাজার মেট্রিক টন ছোলা এবং ৪ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন খেজুর কেনা হবে। প্রাথমিকভাবে এসব পণ্যের প্রায় অর্ধেক দেশীয় এবং বাকি অর্ধেক আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজার বেশি প্রতিযোগিতামূলক হলে বিদেশ থেকে কেনার পরিমাণ বাড়ানো হতে পারে।

মজুত ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে গুদাম সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে টিসিবি। বর্তমানে সংস্থাটির ৪০টি গুদামে প্রায় ৪৮ হাজার ৩৭০ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতা রয়েছে। অতিরিক্ত প্রায় ১০ হাজার মেট্রিক টন মজুত সক্ষমতা তৈরি করতে চায় টিসিবি, যাতে ভাড়ার গুদামের ওপর নির্ভরতা কমে। বর্তমান মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান।

নিত্যপণ্যের পাশাপাশি পণ্যের তালিকাও বাড়াচ্ছে টিসিবি। ভোজ্যতেল, ডাল ও চিনির পাশাপাশি পরীক্ষামূলকভাবে সাবান, ডিটারজেন্ট ও লবণ বিক্রি শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আটা, মসলা, মরিচ ও হলুদ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এসব নতুন পণ্য নিয়মিত বাজারদরের চেয়ে কম দামে বিক্রি হলেও এর জন্য কোনো সরকারি ভর্তুকি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমানে টিসিবির প্রায় ৮০ লাখ স্মার্ট কার্ড অনুমোদিত হয়েছে এবং প্রায় ৭৫ লাখ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। বাকি সুবিধাভোগীদের আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে স্মার্ট কার্ড দেওয়ার আশা করা হচ্ছে। এছাড়া সরবরাহব্যবস্থাকে পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় করতে বিক্রয়কেন্দ্রে পয়েন্ট অব সেল বা পিওএস মেশিন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।