জনবসতি ও মাজারের দিঘি থেকে উদ্ধার করা আক্রমণাত্মক কুমিরটি নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে শুরু করেছে। সাফারি পার্কে স্থানান্তরের পর প্রাণীটির মধ্যে ইতিবাচক আচরণগত পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা এর দীর্ঘমেয়াদী বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। সাফারি পার্কের প্রাকৃতিক পরিবেশে কুমিরটি দ্রুত খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। বর্তমানে প্রাণীটি তার স্বাভাবিক আচরণে ফিরে এসেছে এবং নিয়মিত খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক পরিবেশ নির্বাচন যেকোনো প্রাণীর টিকে থাকার জন্য কতটা অপরিহার্য, তা এই ঘটনার মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো।ধলাপাহাড়ের ঘটনাটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে, মাজারের দিঘির মতো জনবহুল স্থানে বিপজ্জনক বন্যপ্রাণীর উপস্থিতি চরম ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো সময় সেখানে বড় ধরনের অপ্রীতিকর দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। সময়োচিত পদক্ষেপের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসন সেই ঝুঁকি এড়াতে সক্ষম হয়েছে। ধলাপাহাড়ের এই সফল স্থানান্তর কেবল একটি একক কুমিরের নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করেনি, বরং মানুষ ও বন্যপ্রাণীর মধ্যকার সংঘাত নিরসনে একটি কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। বন বিভাগের এই সময়োপযোগী তদারকি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা মডেল ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।