বন্ধ করুন
সিট-ব্যাক স্ক্রিন ফেরাতে যাচ্ছে আমেরিকান এয়ারলাইনস
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ২৯ আগস্ট ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ২৯ আগস্ট ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


সিট-ব্যাক স্ক্রিন ফেরাতে যাচ্ছে আমেরিকান এয়ারলাইনস


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
সিট-ব্যাক স্ক্রিন ফেরাতে যাচ্ছে আমেরিকান এয়ারলাইনস
সিট-ব্যাক স্ক্রিন ফেরাতে যাচ্ছে আমেরিকান এয়ারলাইনস
Featured Image

দীর্ঘদিনের কৌশল বদলে উড়োজাহাজের কেবিনে আবারও গুরুত্ব পাচ্ছে সিট-ব্যাক বিনোদন ব্যবস্থা। আমেরিকান এয়ারলাইনস জানিয়েছে, ২০২৮ সাল থেকে তাদের অভ্যন্তরীণ রুটে ব্যবহৃত সব ন্যারো-বডি উড়োজাহাজের প্রতিটি আসনের পেছনে বিনোদন স্ক্রিন বসানো হবে। নতুন করে বহরে যুক্ত হওয়া এয়ারবাস ও বোয়িং উড়োজাহাজে শুরু থেকেই থাকবে এই সুবিধা এবং বর্তমানে বহরে থাকা উড়োজাহাজেও ধাপে ধাপে স্ক্রিন সংযোজন করা হবে।

একসময় আমেরিকান এয়ারলাইনসের ইকোনমি কেবিনের স্বাভাবিক সুবিধা ছিল সিট-ব্যাক স্ক্রিন। কিন্তু ২০১৮ সালে স্বল্পপথের উড়োজাহাজগুলো থেকে ধীরে ধীরে এসব স্ক্রিন সরিয়ে নেওয়া হয় এবং এর পরিবর্তে যাত্রীদের নিজেদের স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা ল্যাপটপে বিনোদন কনটেন্ট স্ট্রিম করার সুযোগ দেওয়া হয়। তখন ব্যক্তিগত ডিভাইস যাত্রীদের মধ্যে সহজলভ্য হওয়া ছাড়াও অতিরিক্ত যন্ত্রপাতির ওজন ও জ্বালানি ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছিল।

তবে কোভিড-১৯ মহামারির পর বড় স্ক্রিনে কনটেন্ট দেখার সুবিধার প্রতি যাত্রীদের আগ্রহ আরও স্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করছে আমেরিকান এয়ারলাইনস। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের যাত্রীরা একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করলেও বিমানের আসনে বসে বড় স্ক্রিনে বিনোদন দেখার সুবিধাকে মূল্য দিচ্ছেন। ফলে ব্যক্তিগত ডিভাইসনির্ভর বিনোদনের পাশাপাশি আবারও সিট-ব্যাক স্ক্রিনের প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।

২০২৮ সাল থেকে আমেরিকান এয়ারলাইনসের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে যাত্রীরা নিজেদের আসন থেকেই বড় পর্দায় সিনেমা ও অন্যান্য বিনোদন কনটেন্ট উপভোগ করতে পারবেন। নতুন ব্যবস্থায় যাত্রীর পছন্দ অনুযায়ী কনটেন্ট সাজেস্ট করার সুবিধাও থাকবে এবং যাত্রীরা নিজেদের ওয়্যারলেস হেডফোন সরাসরি সিট-ব্যাক স্ক্রিনের সঙ্গে যুক্ত করতে পারবেন। আমেরিকান এয়ারলাইনসের প্রধান কাস্টমার অফিসার হিদার গারবডেন বলেন, উড়োজাহাজে যাত্রী অভিজ্ঞতা উন্নয়নে এটি প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসের অন্যতম বড় বিনিয়োগ।

যাত্রীসেবার আরেকটি বড় পরিবর্তন হলো স্টারলিংক ওয়াই-ফাই। ২০২৭ সাল থেকে উড়োজাহাজে স্টারলিংক ইন্টারনেট চালুর পরিকল্পনা করেছে আমেরিকান এয়ারলাইনস। প্রচলিত বিমান ওয়াই-ফাইয়ের তুলনায় দ্রুতগতির এই সেবা যাত্রীদের আকাশে বসেও আরও ভালো অনলাইন অভিজ্ঞতা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করবে, যা ইতোমধ্যে ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের মতো অন্য এয়ারলাইনগুলোর কাছেও গুরুত্ব পাচ্ছে।

আমেরিকান এয়ারলাইনসের পরিবর্তনের পরিধি কেবল উড়োজাহাজের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিমানবন্দরের লাউঞ্জ সুবিধা উন্নত করার পাশাপাশি প্রিমিয়াম আসনের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। বর্তমানে মোট আসনের প্রায় ২৫ শতাংশ প্রিমিয়াম সিট থাকলেও তা বাড়িয়ে ৪০ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে সিট-ব্যাক স্ক্রিন, ব্লুটুথ হেডফোন, দ্রুতগতির স্টারলিংক ইন্টারনেট এবং উন্নত লাউঞ্জের মাধ্যমে বিমান সংস্থাটি যাত্রী অভিজ্ঞতায় বড় ধরনের বিনিয়োগের পথে হাঁটছে।