বন্ধ করুন
মার্কিন শুল্কের জবাবে পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে কানাডা
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ২৯ আগস্ট ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ২৯ আগস্ট ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


মার্কিন শুল্কের জবাবে পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে কানাডা


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
মার্কিন শুল্কের জবাবে পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে কানাডা
মার্কিন শুল্কের জবাবে পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে কানাডা
Featured Image

বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্র আকার ধারণ করায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। ওয়াশিংটন কানাডিয়ান পণ্যের ওপর ২০ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক আরোপ করার পর অটোয়ার পক্ষ থেকে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডিয়ান পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ লেভি আরোপ করায় দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

শনিবার অটোয়ায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কার্নি জানান যে ট্রাম্প এমন কিছু অগ্রহণযোগ্য শর্ত দেওয়ায় আলোচনা ভেঙে গেছে যা কানাডার সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ন করে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে কানাডা মার্কিন প্রস্তাব মেনে নেবে না এবং তাদের করা দাবিগুলো দেশের স্বার্থের পরিপন্থী। মার্কিন এই পদক্ষেপে ফ্রেঞ্চ ভাষা এবং কুইবেক সংস্কৃতির বিরুদ্ধে হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

কানাডা মার্কিন ইস্পাত, ডেইরি, যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিক্সসহ বিভিন্ন পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে যা আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পগুলোর জন্য আগামী সপ্তাহে সহায়তা ব্যবস্থা ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কার্নি। তবে এই বাণিজ্য যুদ্ধের ফলে কানাডার অর্থনীতিতে খরচ, মূল্যস্ফীতি এবং বেকারত্ব বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন যে কানাডার সাথে নতুন কোনো আলোচনার পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই। এদিকে সীমান্ত রাজ্যের গভর্নর ও ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা ট্রাম্পের এই নীতির তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন এটি মার্কিন ব্যবসা ও পরিবারের খরচ বাড়িয়ে দেবে। অন্যদিকে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন যে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যের সুবিধা চায় কিন্তু অঙ্গরাজ্য হতে চায় না।

লেগার-এর গত সপ্তাহের একটি সমীক্ষা অনুযায়ী ৫৬ শতাংশ কানাডিয়ান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। ওন্টারিওর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড কার্নির এই সিদ্ধান্তের পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে চুক্তিটিকে একটি খারাপ চুক্তি বলে উল্লেখ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী কার্নি এই বাণিজ্য যুদ্ধকে কানাডার জন্য এশিয়া ও ইউরোপের সাথে নতুন বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ হিসেবে দেখছেন।