খাগড়াছড়িতে আকস্মিক ভারী বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে এবং পাহাড়ধসের ঘটনায় খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। ওই সড়কের ৫ মাইল ও ৯ মাইল এলাকায় পাহাড়ের মাটি ধসে পড়ায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ রাস্তা থেকে মাটি ও ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু করেছে। খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৌম্য তালুকদার জানান, ধসে পড়া মাটির পরিমাণ বেশ বড় হওয়ায় মাটি সরানোর কাজ শুরু হলেও সড়ক পুরোপুরি পরিষ্কার করতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
দীঘিনালা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মী সুবুদ্ধি চাকমা জানান, শুক্রবার রাত ৯টা থেকে গতকাল ভোর ৩টা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টায় ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এতে মেরুং, কবাখালী, হামতলী ও বোয়ালখালীর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এ ছাড়া মাইনী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আমন ধানের ক্ষেত এবং বসতবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন জানান, গত মাসের বন্যায়ও তাঁদের ঘরে পানি না ঢুকলেও রাতের কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। আরেক বাসিন্দা অনলেন্দু ত্রিপুরা জানান, তাইদুছড়াসহ উজান এলাকায় ভারী বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ছড়াগুলোর পানি উপচে পড়ে আশপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।