বন্ধ করুন
সীতাকুণ্ডে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ যানজটে নাকাল জনসাধারণ
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ২৯ আগস্ট ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ২৯ আগস্ট ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


সীতাকুণ্ডে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ যানজটে নাকাল জনসাধারণ


মোঃ হোসেন
মোঃ হোসেন উপজেলা প্রতিনিধিঃ সিতাকুন্ড,চট্টগ্রাম
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
সীতাকুণ্ডে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ যানজটে নাকাল জনসাধারণ
সীতাকুণ্ডে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ যানজটে নাকাল জনসাধারণ
Featured Image

সীতাকুণ্ড উপজেলা  প্রবেশ পথ  যেন ট্রাফিক পুলিশের অবৈধ টাকা কারখানা, পুলিশকে মাসোয়ারা দিয়ে চলছে শত শত অটোরিক্সা সিএনজি 

চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড ট্রাফিক পুলিশের বেপরারা চাঁদাবাজি এইজন্য যানজট নিরসনের পরিবর্তে প্রতিদিন যানজট আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা,বলেন,ট্রাফিক পুলিশ সিএনজি অটোরিক্সা কে থামিয়ে, কাগজপত্র চেক করার নামে,চাঁদা আদায় করেন, 

সীতাকুণ্ডে, পৌরসভা টার্নিং মুখে, একটি ট্রাফিক পুলিশের বক্স রয়েছে, সেখানে  ফিটনেসবিহীন গাড়ি 

যেমন, মাইক্রোবাস, সিএনজি অটোরিকশা এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন,গাড়ি কারণে  অকারণে থামিয়ে কাগজপত্র দেখার নামে হয়রানি, এমনটা অভিযোগ উঠেছে। 

ঘন্টার পর ঘন্টা গাড়িগুলো আটকে রেখে সীতাকুণ্ড যানজট আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে, সাধারণ পাবলিক বলেন কাগজপত্র চেক করা উদ্দেশ্য নয়, সাধারণ মানুষকে হয়রানি আর টাকা আদায়ের মূল টার্গেট। 

ভুক্তভোগীরা বলেন, মহাসড়কে রাস্তায় লক্কড় ঝক্কড়,ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল করলে সেদিকে তাদের নজর নেই, ফিটনেসবিহীন গাড়ি গুলো আটক করা হয় না, কারন সেগুলো মাসোহারা দিয়ে ট্রাফিক পুলিশকে চলাচল করেন এমনটা জানিয়েছেন ,ভুক্তভোগীরা। 

এ সময় একটি সিএনজি  থামিয়ে চালক থেকে এক কনস্টেবলকে চাঁদা নিতে দেখা যায়।

রবেল  নামে এক সিএনজি  চালক বলেন, গাড়ির কাগজপত্র ঠিক থাকলেও চা-নাস্তা খাওয়ার কথা বলে চাঁদা দাবি করে ট্রাফিক পুলিশ। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মামলা দিয়ে হয়রানি করে। মামলার ভয়ে বাধ্য হয়ে তাদেরকে চাঁদা দিতে হয়।

সিএনজি চালক সেলিম বলেন,বক্স পুলিশের সাথে জড়িত  একজন  দালাল, বাদশা নামে এক ব্যক্তি কাছে ৬০০টি সিএনজি অটোরিক্সা মালদি করা আছে ,

এবং খোঁজ নিয়ে জানা যায় প্রতি অটোরিক্সা সিএনজি থেকে সাপ্তাহিক ৬০০ টাকা করে চাঁদা নেওয়া হয়, আর এসব চাঁদা,ট্রাফিক  পুলিশ সহ উপরে কর্মস্থলেরা, বাঘ বাটারা করে নেন। 

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মোতেজার ইসলাম অভিযোগগুলো অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ফিটনেসবিহীন যানবাহন আটক করে নিয়মিত মামলা দেওয়া হচ্ছে। ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ অন্যান্য অভিযোগকে তিনি ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন  বলে দাবি করেন। এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ট্রাফিক পুলিশের প্রশাসন জড়িত নয় বলেও জানান তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের দাবি, অভিযোগগুলো সত্য হলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং বৈধ কাগজপত্র থাকা যানবাহনের চালকদের হয়রানি বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ চান তারা।