বন্ধ করুন
এশিয়ায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি হ্রাস: মিত্রদের উদ্বেগ বাড়ছে
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


এশিয়ায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি হ্রাস: মিত্রদের উদ্বেগ বাড়ছে


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
এশিয়ায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি হ্রাস: মিত্রদের উদ্বেগ বাড়ছে
এশিয়ায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি হ্রাস: মিত্রদের উদ্বেগ বাড়ছে
Featured Image

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সাথে যুদ্ধ ছয় মাসে গড়ানোয় এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপের কারণে অঞ্চলে বেইজিং আরও বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্রের এশীয় মিত্রদের মাঝে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ জা ইয়ান চং জানান, মার্কিন সরঞ্জাম প্রত্যাহারের ফলে বেইজিং শক্তি পরীক্ষার সুযোগ পেতে পারে, যা মিত্রদের ওপর চাপ বাড়াবে। বর্তমানে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে মার্কিন প্যাসিফিক কমান্ডের অধীনে প্রায় ৩ লাখ ৭৫ হাজার সামরিক ও বেসামরিক কর্মী মোতায়েন রয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা কৌশল অনুযায়ী মিত্রদের নিজেদের নিরাপত্তায় সামরিক ব্যয় জিডিপির ৩.৫ শতাংশে উন্নীত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে তাইওয়ান ২০২৭ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা বাজেট ১৮ শতাংশ বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে এবং ফিলিপিন্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গিলবার্তো তেওদোরো জুনিয়র ব্যয় বাড়িয়ে জিডিপির ৪ শতাংশ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

সর্বশেষ পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্র এশিয়ায় অবস্থানরত তাদের বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’ মধ্যপ্রাচ্যে পাঠিয়েছে। এটি টানা নয় মাস মোতায়েন থাকা ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এর স্থলাভিষিক্ত হবে। এর আগে দক্ষিণ কোরিয়া থেকেও থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার অংশবিশেষ সরিয়ে নিয়েছিল পেন্টাগন।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষক উইলিয়াম ইয়াং জানান, এসব সিদ্ধান্তের কারণে চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন আঞ্চলিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ইতোমধ্যে চীনের ‘লিয়াওনিং’ ও ‘শানডং’ রণতরী ফার্স্ট আইল্যান্ড চেইনের বাইরে প্রবেশ করেছে এবং তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলে বেইজিংয়ের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।