৭৩ বছর বয়সেও কোনো ওষুধ খেতে হয় না সিডনিপ্রবাসী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক দবির উদ্দিনের। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, খাদ্যতালিকা মেনে চলা, সময়মতো ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। রোগ প্রতিরোধ ও সুস্থতার জন্য সুষম খাদ্য, ব্যায়াম এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
রোগীকে আগে ভালোভাবে বুঝে তারপর চিকিৎসার পরিকল্পনা করেন দবির উদ্দিন। তিনি রোগীর সমস্যা, উপসর্গ, আগের চিকিৎসার ইতিহাস এবং শারীরিক ও মানসিক অবস্থা জেনে চিকিৎসা শুরু করেন। প্রয়োজন হলে তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা প্রচলিত চিকিৎসাব্যবস্থার চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথাও রোগীদের বলে থাকেন।
হোমিওপ্যাথি নিয়ে মানুষের প্রশ্ন ও সমালোচনাকে তিনি শেখার সুযোগ হিসেবে দেখতে ভালোবাসেন। যেকোনো চিকিৎসাপদ্ধতিকে যুক্তি, গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক প্রমাণের আলোকে মূল্যায়ন করা উচিত বলে তিনি মনে করেন। রোগীর কাছে স্বচ্ছ তথ্য তুলে দেওয়া এবং অন্য চিকিৎসাব্যবস্থার সহায়তা নেওয়াকে তিনি নিজের দায়িত্ব মনে করেন।
দীর্ঘ প্রবাসজীবনে কমিউনিটি সার্ভিসকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে আসছেন দবির উদ্দিন। সিডনির লাকেম্বায় বাংলাদেশি কমিউনিটির পাশাপাশি পাকিস্তান, নেপাল ও ভারতীয় কমিউনিটির মানুষও তাঁর কাছে সেবা নিতে আসেন। মানুষের পাশে থেকে তাদের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করাই তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।