বন্ধ করুন
হরমুজ প্রণালীকে মার্কিন অঞ্চল করার ঘোষণা ট্রাম্পের, কড়া জবাব ইরানের
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


হরমুজ প্রণালীকে মার্কিন অঞ্চল করার ঘোষণা ট্রাম্পের, কড়া জবাব ইরানের


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
হরমুজ প্রণালীকে মার্কিন অঞ্চল করার ঘোষণা ট্রাম্পের, কড়া জবাব ইরানের
হরমুজ প্রণালীকে মার্কিন অঞ্চল করার ঘোষণা ট্রাম্পের, কড়া জবাব ইরানের
Featured Image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীকে খুব শীঘ্রই যুক্তরাষ্ট্রের অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে মার্কিন নৌ-অবরোধ চলছে এবং ট্রাম্পের মতে, কার্যত এটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির বিচার বিভাগের প্রধান ট্রাম্পকে ‘অপরাধী’ ও ‘নির্বোধ’ আখ্যা দিয়ে এই দাবিকে অর্থহীন বলে বর্ণনা করেছেন। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিভাবাদি বলেছেন, হরমুজ প্রণালী টুইট বা বিমানবাহী রণতরী দিয়ে দখল করা সম্ভব নয়, এটি ইরানের ছিল এবং ইরানেরই থাকবে।

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ এবং সাবেক মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, প্রেসিডেন্টের একক ঘোষণায় কোনো অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। ব্রুস ফেইন জানান, কোনো অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত করতে হলে মার্কিন সিনেটের অনুমোদন বা বিশেষ আইনের প্রয়োজন হয়। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে।

হরমুজ প্রণালী মূলত ইরান ও ওমানের উপকূলীয় জলসীমার মধ্যে অবস্থিত। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, কোনো দেশ তার উপকূল থেকে মাত্র ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত সার্বভৌমত্ব দাবি করতে পারে। ট্রাম্পের দাবি বাস্তবায়নে ইরান বা তার উপকূলীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

যুক্তরাষ্ট্রে এই যুদ্ধ নিয়ে জনমত বর্তমানে বেশ নেতিবাচক, রয়টার্সের জরিপ অনুযায়ী মাত্র ৩৫ শতাংশ মানুষ একে সমর্থন করছেন। এছাড়া দেশটিতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং গোলাবারুদের ঘাটতি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, তেলের দাম নিয়ন্ত্রণ করাই এখন তাদের মূল লক্ষ্য।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মূলত একটি রাজনৈতিক কৌশল। আল জাজিরার কিম্বার্লি হ্যালকেট জানিয়েছেন, ট্রাম্প নিজেও হয়তো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বলছেন না, বরং তিনি ইরানকে চাপে রাখতেই এমন মন্তব্য করেছেন। হরমুজ প্রণালী নিয়ে এই উত্তেজনা বিশ্ব অর্থনীতি ও কূটনীতিতে নতুন সংকটের সৃষ্টি করেছে।