বন্ধ করুন
বান্দরবানে বিপৎসীমার ওপরে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ২৯ আগস্ট ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ২৯ আগস্ট ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


বান্দরবানে বিপৎসীমার ওপরে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
বান্দরবানে বিপৎসীমার ওপরে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
বান্দরবানে বিপৎসীমার ওপরে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
Featured Image

টানা চার দিনের ভারী বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে এবং বাড়িঘর, সড়ক ও ফসলি জমি তলিয়ে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসিন্দারা।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ৯টায় সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে ১৫ দশমিক ৭৬ মিটারে প্রবাহিত হচ্ছিল, যার বিপৎসীমা ১৪ দশমিক ৮০ মিটার। অন্যদিকে মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমা ১১ দশমিক ৮০ মিটার ছাড়িয়ে ১১ দশমিক ৯৩ মিটারে পৌঁছেছে। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী অপু দেব জানান, অব্যাহত বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু নদীর পানি দ্রুত বেড়েছে।

জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সনাতন কুমার মণ্ডল জানান, গতকাল সকাল ৯টা থেকে আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত বান্দরবানে ৩০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে এবং আগামী দিনগুলোতে আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বন্যার পানিতে বান্দরবান পৌরসভার মার্মা বাজার, মেইন বাজার, কাশেমপাড়া, আর্মি পাড়া, ইসলামনগর, ফালকাটা, বালাঘাটা, মেম্বার পাড়া, ইসলামপুর, শেরেবাংলা, ব্রিগেড এরিয়া, আমবাগান, ক্যাচিংঘাটা ও হাফেজঘোনাসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বান্দরবান জেলা সদরের সঙ্গে থানচি, রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। চলাচলের জন্য অনেক স্থানে নৌকা ব্যবহার করছেন সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বাড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে যেতে মাইকিং করছে প্রশাসন।

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস জানান, সম্ভাব্য বন্যা ও পাহাড়ধস মোকাবিলায় সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিল্টন দস্তিদার জানান, জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে, যার মধ্যে সদরে রয়েছে ৪৫টি। আজ সকাল ১১টা পর্যন্ত ১৯০টি পরিবারের প্রায় ৭০০ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন।

তবে জেলা পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট উবাথোয়াই মারমার তথ্যের বরাতে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান থানজামা লুসাই দাবি করেছেন, জেলায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়নি এবং জেলায় বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই।