বন্ধ করুন
হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি, বন্যার আশঙ্কা
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি, বন্যার আশঙ্কা


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি, বন্যার আশঙ্কা
হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি, বন্যার আশঙ্কা
Featured Image

অবিরাম বৃষ্টি এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়ছে। এতে দুই জেলায় মারাত্মক বন্যা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে মৌলভীবাজারের কয়েকটি গ্রামে আকস্মিক প্লাবন দেখা দিয়েছে। কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন জানান, ১২০ থেকে ১৫০টি পরিবারের বসতবাড়ির উঠান ও আশপাশ পানিতে তলিয়ে গেছে এবং ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, দুই জেলার ৬টি নদীর ৯টি পয়েন্টে পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। হবিগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমান জানান, সকাল ৯টা পর্যন্ত খোয়াই নদীর পানি বাল্লা পয়েন্টে ২২০ সেমি, শায়েস্তাগঞ্জে ৯৯ সেমি এবং মাধবপুরের হরিপুরে ১৩৫ সেমি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এছাড়া কুশিয়ারা নদী মারকুলিতে ১১ সেমি, কালনী-কুশিয়ারা আজমিরীগঞ্জে ৬১ সেমি এবং সুতাং নদী শায়েস্তাগঞ্জে ২৬ সেমি বিপদসীমার উপরে রয়েছে। তবে সোনাই নদীর পানি মন্তলায় বিপদসীমার ১৯৮ সেমি নিচে এবং তা হ্রাস পাচ্ছে।

হবিগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬১.৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সাইদুর রহমান জানান, হাওর এলাকাগুলোর পানি ধারণক্ষমতা প্রায় পূর্ণ থাকায় নতুন পানির নিষ্কাশন ধীরগতিতে হচ্ছে। এতে খোয়াই নদীর ওপর চাপ বাড়ছে এবং নদী তীরবর্তী বসতিগুলো ঝুঁকিতে রয়েছে। অন্যদিকে শেওলারবাজারে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ৩১ সেমি নিচে অবস্থান করছে।

মৌলভীবাজার পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন ওলিদ জানান, মনু নদীর পানি রেলওয়ে ব্রিজ ও চাঁদনীঘাট পয়েন্টে ৫৫ সেমি এবং ধলাই নদীর পানি রেলওয়ে ব্রিজ পয়েন্টে ৩৩ সেমি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শেরপুরে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ৩১ সেমি নিচে থাকলেও তা ক্রমাগত বাড়ছে। তিনি জানান, মনু, ধলাই, কুশিয়ারা ও জুড়ী নদীর পানি বৃদ্ধিতে নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। সেখানে শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিস গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে, যার আগের দিন ছিল ৯১ মিলিমিটার।