বন্ধ করুন
ফল কিনতে গিয়ে মোবাইল হাওয়া! আজমিরীগঞ্জে পুলিশের চাঞ্চল্যকর কাণ্ড।
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


ফল কিনতে গিয়ে মোবাইল হাওয়া! আজমিরীগঞ্জে পুলিশের চাঞ্চল্যকর কাণ্ড।


মোঃ আলামিন বেপারী
মোঃ আলামিন বেপারী নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
ফল কিনতে গিয়ে মোবাইল হাওয়া! আজমিরীগঞ্জে পুলিশের চাঞ্চল্যকর কাণ্ড।
ফল কিনতে গিয়ে মোবাইল হাওয়া! আজমিরীগঞ্জে পুলিশের চাঞ্চল্যকর কাণ্ড।
Featured Image

দোকান থেকে ফল বিক্রেতার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ থানার এক উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত এসআই রাসেল মিয়াকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। গতকাল সোমবার তাকে পুলিশ লাইনে সংযুক্তির এই নির্দেশ দেওয়া হয়। ​বিষয়টি নিশ্চিত করে আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর হোসেন জানান, ঘটনাটি পুলিশের ভাবমূর্তির জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হলে পুলিশ লাইনে তার যুক্ততার আদেশ আসে। ​ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত শনিবার রাত আনুমানিক ৮টা ৪৯ মিনিটে আজমিরীগঞ্জ বাজারে ফল বিক্রেতা রাজিব আহমেদের দোকানে যান এসআই রাসেল। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, তিনি দোকানে ফল কিনছিলেন। রাজিবের দাবি, ওই সময়েই তার মুঠোফোনটি কৌশলে নিয়ে যান এসআই রাসেল। পরবর্তীতে মোবাইল ফেরত চাইতে গেলে প্রথমে তা অস্বীকার করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। তবে দোকানে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল থাকার কথা জানানো হলে, গভীর রাতে রাজিবকে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে ফোনটি হারিয়ে গেছে বলে দাবি করেন এসআই রাসেল। ​ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ওসি আকবর হোসেন বলেন, "আমি নিজে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করেছি। মুঠোফোন হারিয়ে গেছে বলে দাবি করে এসআই রাসেল ওই ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা দিয়েছেন। এই ঘটনাটি পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ​এ বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই রাসেল মিয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ব্যবসায়ী রাজিব আহমেদের পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া না হলেও, স্থানীয় আলোচনা ও সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতেই বিভাগীয় এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।