বন্ধ করুন
বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাড়াতে অভিবাসন ব্যয় কমানোর তাগিদ
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাড়াতে অভিবাসন ব্যয় কমানোর তাগিদ


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাড়াতে অভিবাসন ব্যয় কমানোর তাগিদ
বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাড়াতে অভিবাসন ব্যয় কমানোর তাগিদ
Featured Image

জাতীয় সংসদে সম্প্রতি আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মী বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী। তবে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে বড় বাধা হলো অত্যধিক অভিবাসন ব্যয় ও জনশক্তি রপ্তানি ব্যবস্থাপনায় সুশাসনের অভাব। অর্থনীতিবিদদের মতে, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাড়াতে হলে অভিবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো এবং এই খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় বাংলাদেশের অভিবাসন ব্যয় চার থেকে পাঁচগুণ বেশি। বর্তমানে একজন বাংলাদেশি পুরুষ কর্মীকে বিদেশে যেতে গড়ে প্রায় ৫ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার বা ৬ লাখ ৭৮ হাজার টাকারও বেশি খরচ করতে হয়, যা ১৫ মাসের আয়ের সমান। এর মধ্যে সৌদি আরবগামী কর্মীদের ক্ষেত্রে এই ব্যয় গিয়ে দাঁড়ায় প্রায় ২০ মাসের আয়ের সমপরিমাণে।

সরকার ২০১৭ সালে সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে যেতে অভিবাসন ব্যয়ের সীমা যথাক্রমে ১ লাখ ৬৫ হাজার, ১ লাখ ৬০ হাজার এবং ২ লাখ ৬২ হাজার ২৭০ টাকা নির্ধারণ করেছিল। কিন্তু বাস্তবে কর্মীদের এর চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়। মূলত বহুস্তরবিশিষ্ট নিয়োগ ব্যবস্থা, মধ্যস্বত্বভোগীদের কমিশন এবং ‘বিদেশে কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন ২০১৩’ অমান্য করে নিয়োগকর্তার বিমানভাড়া কর্মীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ায় অভিবাসন খরচ লাগামহীন হয়ে পড়েছে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন জানান, ২০১২ সালে মালয়েশিয়ায় সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) পদ্ধতিতে খরচ সাত ভাগের এক ভাগে নামলেও প্রভাবশালী চক্রের কারণে তা টিকে থাকেনি। বর্তমানে দেশে উচ্চশিক্ষিতদের বেকারত্বের হার ১৩.৫৪ শতাংশে পৌঁছানোয় এবং কর্মসংস্থানহীন প্রবৃদ্ধির কারণে সৃষ্টি হওয়া সংকট নিরসনে অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা অপরিহার্য।