পিরোজপুরে ১২ পরীক্ষার্থীর ১১ শিক্ষক, পাস করা একমাত্র শিক্ষার্থীর নামই জানেন না প্রধান শিক্ষক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রিন্ট:
পিরোজপুরে ১২ পরীক্ষার্থীর ১১ শিক্ষক, পাস করা একমাত্র শিক্ষার্থীর নামই জানেন না প্রধান শিক্ষক

সোমবার প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এই চিত্র উঠে এসেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মৈশানী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ১১ জন শিক্ষকসহ মোট ১৩ জন শিক্ষক ও কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। তাদের বেতন-ভাতা বাবদ সরকারের প্রতি মাসে তিন লাখ টাকারও বেশি ব্যয় হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত এই বিদ্যালয়টিতে বছরের পর বছর শিক্ষার মান নিম্নমুখী। কাগজ-কলমে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর নাম থাকলেও বাস্তবে নিয়মিত ৫-৬ জনের বেশি উপস্থিত থাকে না। শিক্ষকদের উপস্থিতি ও পাঠদানের মান নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। তবে এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা পর্ষিয়া রানী হালদার জানান, চলতি বছর ১২ জন পরীক্ষা দিয়ে একজন পাস করেছে এবং গত বছর আটজন পরীক্ষা দিয়ে একজন পাস করেছিল। পাস করা একমাত্র শিক্ষার্থীর নাম কিংবা অর্জিত গ্রেড সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি। শিক্ষার্থীদের স্কুলে উপস্থিত করতে না পারার দায় তাদের ওপর চাপিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা না করায় ফেল করে, এতে শিক্ষকদের কোনো দোষ নেই। পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার মৈশানী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ বছরের এসএসসি পরীক্ষায় চরম বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়টি থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র একজন। ১১ জন শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও এমন ফলাফলে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।