বন্ধ করুন
সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্ক নিরাপত্তা চুক্তি ও ইরানের অবস্থান
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্ক নিরাপত্তা চুক্তি ও ইরানের অবস্থান


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্ক নিরাপত্তা চুক্তি ও ইরানের অবস্থান
সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্ক নিরাপত্তা চুক্তি ও ইরানের অবস্থান
Featured Image

মক্কায় সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় তিনটি দেশের যেকোনো একটির ওপর বাহ্যিক আক্রমণকে বাকি দুটি দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রভাব হ্রাস পাওয়ার প্রেক্ষাপটে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি নিয়ে তেহরানের অবস্থান ও কৌশলগত ভাবনা তৈরি হয়েছে।

চুক্তির বিষয়ে সরাসরি বড় কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না দিলেও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হোসেইন নৌশাবাদি একে পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন আধিপত্যের পতনের সূচনা বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি মনে করেন, বহিরাগত শক্তির চাপিয়ে দেওয়া ক্ষমতার কাঠামোর বদলে আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, মুসলিমরা যখন একসঙ্গে দাঁড়াবে, তখন যেকোনো বহিরাগত চ্যালেঞ্জ মুখোমুখি মোকাবিলা করা সম্ভব। তবে ইরানি আইনপ্রণেতা ইব্রাহিম আজিজি ও ইব্রাহিম রেজায়ি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কাগজের চুক্তি সৌদি আরবের জন্য নিরাপত্তা আনবে না এবং এতে কোনো ভুল হিসাবনিকাশ বড় ভুল হতে পারে।

বিশেষজ্ঞ ওয়ালি নাসর ও মেহরান কামরাভা মনে করেন, চুক্তিটি তেহরানের জন্য সরাসরি হুমকি নয়, বরং মার্কিন পরবর্তী নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ। মেহরান কামরাভার মতে, সাম্প্রতিক হুথি হামলা সত্ত্বেও তুরস্ক বা পাকিস্তান ইয়েমেনে সৌদি যুদ্ধে জড়াবে না। অন্যদিকে, গবেষক হামিদরেজা আজিজি মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদে এই সামরিক জোটের ফলে ইয়েমেন, ইরাক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ইরানের ওপর সুসংগঠিত চাপ তৈরি হতে পারে।

চ্যাথাম হাউসের পরিচালক সানাম ভাকিল জানান, মার্কিন অনিশ্চয়তা ও আঞ্চলিক অস্থিরতার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই রিয়াদ, ইসলামাবাদ ও আঙ্কারা পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। তবে চুক্তি সম্পাদনকারী তিনটি দেশই স্পষ্ট করেছে যে, তাদের এই উদ্যোগটি নির্দিষ্ট কোনো দেশকে লক্ষ্য করে তৈরি হয়নি এবং এটি ইরানের বিরুদ্ধেও নয়।