হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল কিছুটা স্বাভাবিক করতে ওমানের সাথে একটি চুক্তির প্রায় কাছাকাছি পৌঁছেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি শনিবার জানান, ওমানের সাথে চুক্তিটি চূড়ান্ত হওয়ার খুব কাছাকাছি রয়েছে। তবে কৌশলগত এই প্রণালীটি পুরোপুরি খুলে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি রক্ষার ওপর নির্ভর করছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর থেকেই এই প্রণালীতে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। প্রস্তাবিত ৬০ দিনের অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থার আওতায় উত্তর দিকের পথ দিয়ে ইরানি জলসীমায় জাহাজ প্রবেশ করবে এবং দক্ষিণ দিকে ওমানের জলসীমা দিয়ে বের হবে। তেহরানের উচ্চপর্যায়ের সবুজ সংকেত পেলে এই চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হতে পারে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জুনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক রক্ষার ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে, আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মহেব্বি স্পষ্ট করেছেন যে হরমুজ প্রণালী খোলার সাথে ইরান-ওমান আলোচনার সম্পর্ক নেই, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই ইরানের শর্ত মানতে হবে। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনকে এতে হস্তক্ষেপ না করার আহ্বান জানান।
সমঝোতার খবরে বিশ্ব বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৮৩ ডলারে উঠেছে। ইরানি মুদ্রা রিয়ালের মান শক্তিশালী হয়ে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১.৮৫ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে এবং তেহরান স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। তবে এরই মধ্যে শনিবার হরমুজ প্রণালীতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি তেলবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর ঘটনাও ঘটেছে।