ঢাকাই চলচ্চিত্রের 'অ্যাকশন কিং' হিসেবে পরিচিত চিত্রনায়ক রুবেল। আশি ও নব্বই দশকে মার্শাল আর্টভিত্তিক অ্যাকশন সিনেমা দিয়ে দর্শকদের মাতিয়ে রেখেছিলেন তিনি। তিন দশকেরও বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে প্রায় ২৫০টি সিনেমায় অভিনয় করলেও রুপালি পর্দার নায়ক হওয়ার কথা কখনো চিন্তাই করেননি বলে জানিয়েছেন এই তারকা।
সম্প্রতি একটি টিভি অনুষ্ঠানে নিজের চলচ্চিত্রে আসার গল্প শুনিয়েছেন রুবেল। তিনি জানান, জাতীয় কারাতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বড় ভাই সোহেল রানা তাকে গোল্ড মেডেল ও কারাতে ড্রেস নিয়ে উত্তরার বাসায় ডাকেন। সেখানে মেকআপ দিয়ে তার ছবি তোলার দুই সপ্তাহ পরেই 'লড়াকু' সিনেমার পোস্টার প্রকাশিত হয় এবং তিনি জানতে পারেন যে তিনি নায়ক হতে যাচ্ছেন।
১৯৮৬ সালে মুক্তি পাওয়া 'লড়াকু' সিনেমার মাধ্যমেই পর্দায় অভিষেক হয় রুবেলের। প্রথম সিনেমার শুটিংয়ে সহশিল্পী কবীর খাঁর সঙ্গে একটি ঝুঁকিপূর্ণ শট করতে গিয়ে মারাত্মক আহত হন তিনি। সেই দুর্ঘটনায় তার স্পাইনাল কর্ড ডিসলোকেট হয়ে যায় এবং সুস্থ হতে চিকিৎসকের পরামর্শে টানা ৬ মাস ট্র্যাকশন দিতে হয়।
পরিচালক শহীদুল ইসলাম খোকনের 'লড়াকু' সিনেমা দিয়ে বাজিমাত করার পর রুবেলকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। পরবর্তীতে 'উদ্ধার', 'বীরপুরুষ', 'বজ্রমুষ্ঠি', 'হুংকার', 'বীরবিক্রম', 'আমিই শাহেনশাহ', 'বিষদাঁত', 'বজ্রপাত' ও 'ইনকিলাব'-এর মতো অসংখ্য সুপারহিট চলচ্চিত্র উপহার দেন তিনি।