বন্ধ করুন
সাড়ে ৩ লাখ টাকার অভাবে অনিশ্চিত ৮ বছরের কলির জীবন।
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


সাড়ে ৩ লাখ টাকার অভাবে অনিশ্চিত ৮ বছরের কলির জীবন।


মোঃ আলামিন বেপারী
মোঃ আলামিন বেপারী নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
সাড়ে ৩ লাখ টাকার অভাবে অনিশ্চিত ৮ বছরের কলির জীবন।
সাড়ে ৩ লাখ টাকার অভাবে অনিশ্চিত ৮ বছরের কলির জীবন।
Featured Image

টাকার অভাবে থমকে গেছে আট বছরের শিশু মাহমুদ কলি সায়ানের চিকিৎসা। দুর্ঘটনায় মাথার খুলির অংশ হারিয়ে সে এখন জীবনের সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। হাসপাতালের হিমাগারে সংরক্ষিত রয়েছে তার খুলির হাড়, যা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পুনরায় প্রতিস্থাপন করার কথা ছিল। তবে প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকায় পার হয়ে যাচ্ছে অস্ত্রোপচারের নির্ধারিত সময়। একমাত্র সন্তানের চিকিৎসা খরচ যোগাতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হতদরিদ্র মা-বাবা। ​পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সাভার পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করেন ফয়সাল আহম্মেদ ও মাহমুদা আক্তার দম্পতি। ফয়সাল পেশায় একজন চালক এবং স্ত্রী মাহমুদা টঙ্গীর একটি পোশাক কারখানায় কোয়ালিটি পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত। গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর আশুলিয়ার নিরিবিলি এলাকায় দাদির সঙ্গে চার তলা বাড়ির ছাদে খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যায় শিশু কলি। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ​সে সময় চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কলির মাথার ওপরের অংশের খুলির হাড় খুলে তা বিশেষ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করেন। চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, প্রথম অস্ত্রোপচারের কয়েক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার করে সেই হাড় পুনরায় বসাতে হবে। কিন্তু প্রথম ধাপের চিকিৎসাতেই পরিবারটির সঞ্চিত সব অর্থ শেষ হয়ে যায়। ​আবেগাপ্লুত কণ্ঠে কলির মা মাহমুদা আক্তার বলেন, "ডাক্তার বলেছেন দ্রুত মাথার হাড় প্রতিস্থাপন না করলে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হবে। এই অস্ত্রোপচারের জন্য প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের সব সঞ্চয় শেষ। আমরা একদম নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। এত টাকা এখন কোথা থেকে জোগাড় করব বুঝে উঠতে পারছি না। ​কলির বাবা ফয়সাল আহম্মেদ জানান, দুর্ঘটনার পর থেকেই তারা মেয়ের চিকিৎসার সুবিধার্থে সাভার এনাম মেডিকেলের পাশে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে থাকছেন। বর্তমানে প্রতিদিন শুধু ওষুধের পেছনেই খরচ হচ্ছে প্রায় ৬০০ টাকা। এর পাশাপাশি সেকশন মেশিন, অক্সিজেন ও চিকিৎসাসামগ্রী বাবদ প্রতি মাসে প্রায় ১৫ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। ​মেয়ের এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালাতে গিয়ে হিমশিম খাওয়া এই অসহায় পিতা সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের প্রতি সাহায্যের আকুল আবেদন জানিয়েছেন।