বন্ধ করুন
জুলাই আন্দোলন: ২ আগস্টের অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের ঘোষণা
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


জুলাই আন্দোলন: ২ আগস্টের অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের ঘোষণা


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
জুলাই আন্দোলন: ২ আগস্টের অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের ঘোষণা
জুলাই আন্দোলন: ২ আগস্টের অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের ঘোষণা
Featured Image

২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে তৎকালীন সরকারের নৃশংস বলপ্রয়োগ ও সহিংসতার মুখে ২ আগস্ট রাজপথে সোচ্চার হন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তারা। স্বৈরাচারী সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে মিরপুর ডিওএইচএসসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন গড়ে তোলা হয়। ওই দিন সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের পাশে দাঁড়ানোর উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আবদুল হক, পিএসসি (অব.) একটি ঐতিহাসিক ঘোষণা পাঠ করেন।

ঘোষণায় বলা হয়, গত ১ জুলাই থেকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বৈষম্যমূলক কোটা বাতিলের দাবি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ ছিল। তবে সরকার আলোচনার পথ পরিহার করে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি দিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর পৈশাচিক হামলা চালায়। বিজিবি ও পুলিশের পাশাপাশি আন্দোলন দমাতে সামরিক বাহিনীকে নামানো এবং স্নাইপার ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করার তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

বিবৃতিতে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন, দেশপ্রেমিক সামরিক বাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করানো অত্যন্ত দুঃখজনক ও সংবিধানবিরোধী। জাতিসংঘের মিশনে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি দিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর হামলা এবং স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত গৌরব ধূলিসাৎ করা হয়েছে। বিশ্বের ইতিহাসে নিজের দেশের মানুষের ওপর রাষ্ট্রীয় বাহিনীর এমন নৃশংসতা নজিরবিহীন এবং এই বিপুল প্রাণহানির দায় সম্পূর্ণ সরকারের।

ঘোষণায় অবিলম্বে দেশপ্রেমিক সামরিক বাহিনীকে হত্যাযজ্ঞের অপারেশন থেকে প্রত্যাহার করে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সেনা সদস্যদের সংবিধান মেনে জনগণের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে গণহত্যার সঙ্গে জড়িত পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনারও জোর দাবি জানানো হয়।