টেলিকম খাতকে আরও গতিশীল করতে দীর্ঘমেয়াদী ও পূর্বাভাসযোগ্য কর কাঠামো তৈরি এবং বিনিয়োগবান্ধব সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অন্যদিকে, খাত সংশ্লিষ্টরা অন্তর্বর্তী সরকারের তৈরি নতুন টেলিযোগাযোগ নীতিমালা পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি মোবাইল সেবায় কর কমালে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।
বাংলাদেশে ১০০ কোটি ডলার নতুন বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠকে এই পরিকল্পনার কথা জানানো হলে প্রধানমন্ত্রী ইন্টারনেটের দাম কমানো এবং গ্রাহকদের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন দেওয়ার আহ্বান জানান। অন্যদিকে, মেটা বাংলাদেশের নতুন ডেটা সুরক্ষা আইনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে এবং এআই প্রযুক্তিতে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
দেশের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করার মতো চাঁদাবাজির ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে আইএসপিএবি। এছাড়া বিটিআরসি ইজিএসএম ব্যান্ডের স্পেকট্রাম নিলামের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এতে মূল্যছাড়ের সুপারিশ করেছে।
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ বিভাগের জন্য ২ হাজার ১৪১ কোটি এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের জন্য ২ হাজার ৪৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন জাতীয় বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে ১০টি প্রধান অগ্রাধিকারে রেখে বিভিন্ন প্রণোদনা ও করছাড়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।