বন্ধ করুন
দায়িত্ব পালনকালে লাঠিচার্জ ও মাথায় আঘাত: বিচার ও ক্ষতিপূরণ চান সাংবাদিক অভি খায়রুল।
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


দায়িত্ব পালনকালে লাঠিচার্জ ও মাথায় আঘাত: বিচার ও ক্ষতিপূরণ চান সাংবাদিক অভি খায়রুল।


মোঃ আলামিন বেপারী
মোঃ আলামিন বেপারী নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
দায়িত্ব পালনকালে লাঠিচার্জ ও মাথায় আঘাত: বিচার ও ক্ষতিপূরণ চান সাংবাদিক অভি খায়রুল।
দায়িত্ব পালনকালে লাঠিচার্জ ও মাথায় আঘাত: বিচার ও ক্ষতিপূরণ চান সাংবাদিক অভি খায়রুল।
Featured Image

মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি চলাকালে সাভারে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশের হামলা ও মারাত্মক নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন দৈনিক লোকালয় মাল্টিমিডিয়ার স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট এবং সিএনআই নিউজ টুয়েন্টিফোরের ডিজিটাল ডেস্ক ইনচার্জ সাংবাদিক অভি খায়রুল। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের শাস্তি এবং হারিয়ে যাওয়া সাংবাদিকতার সরঞ্জাম ফেরতসহ উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন তিনি। অভি খায়রুলের ভাষ্যমতে, গত ৪ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের একটি বিক্ষোভ মিছিল সাভার মডেল থানার দিকে অগ্রসর হয়। মিছিলটি সাভার থানা স্ট্যান্ড ও এনাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অতিক্রম করে সাভার অধরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে পৌঁছালে সাভার মডেল থানা পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ওই সময় তিনি সংবাদকর্মী হিসেবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে ভিডিও ধারণ ও সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করছিলেন। ​তিনি অভিযোগ করেন, গলায় পরিচয়পত্র এবং হাতে ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ও মাইক্রোফোন থাকা সত্ত্বেও পুলিশ সদস্যরা তার ওপর চড়াও হয়। লাঠিচার্জ, লাথি ও রাইফেলের বাট দিয়ে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে আঘাতের চোটে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আবারও তার মাথায় রাইফেল দিয়ে আঘাত করা হয়, এতে তার মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা তার মাথায় ১০টি সেলাই দেন। হামলার ঘটনার পর থেকে তার ব্যবহৃত ক্যামেরা, মোবাইল ফোন, মাইক্রোফোন ও প্রাতিষ্ঠানিক লোগোসহ অন্যান্য সরঞ্জাম গায়েব রয়েছে। পুলিশ সদস্যরা এসব সরঞ্জাম নিয়ে গেছে বলে তার অভিযোগ। এসব মালামাল ফেরত এবং সরকারিভাবে ক্ষতির যথাযথ ক্ষতিপূরণ দাবি করে অভি খায়রুল বলেন, “সত্য সংবাদ তুলে ধরার দায়িত্ববোধ থেকেই কাজ করেছি। এ ঘটনার বিনিময়ে আমি কোনো আর্থিক সুবিধা বা সনদ গ্রহণ করিনি। সত্য প্রকাশ করা যদি অপরাধ হয়, ওই একই সময়ে সাভারে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের হামলা ও গুলিতে আরও কয়েকজন সংবাদকর্মী আহত হন। তাঁদের মধ্যে মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিক সৈয়দ হাসিব ও নিউজ গার্ডেনের সম্পাদক ওমর ফারুক উল্লেখযোগ্য। এছাড়া সাভার প্রেসক্লাবের সহকারী সদস্য মনজয় মারাত্মক আহত হন এবং পরবর্তীতে চিকিৎসার অংশ হিসেবে তার একটি হাত কেটে ফেলতে হয়। ​সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরাপত্তার দাবি স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, আন্দোলন চলাকালে সাভারে দায়িত্ব পালনরত সংবাদকর্মীদের ওপর বারবার হামলা, মারধর, গুলি চালানো এবং সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সাংবাদিক পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরও নির্যাতনের মাত্রা কমানো হয়নি। সাংবাদিক সমাজ অবিলম্বে এ ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার এবং স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা করার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতের জোর দাবি জানিয়েছে।