বন্ধ করুন
ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে বাজেট বরাদ্দ: অর্থমন্ত্রী
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে বাজেট বরাদ্দ: অর্থমন্ত্রী


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে বাজেট বরাদ্দ: অর্থমন্ত্রী
ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে বাজেট বরাদ্দ: অর্থমন্ত্রী
Featured Image

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে ধর্মীয় উপাসনালয় এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে বাজেট পেশকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ধর্ম খাতে ১ হাজার ৮১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেন।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মাসিক ১০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পুরোহিত ও সেবায়েতদের মাসিক ৮ হাজার টাকা হারে সম্মানী প্রদান করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত দেশের ৬ হাজার ৪৩৮টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মোট ৯ হাজার ৫২০ জন এই সুবিধার আওতায় এসেছেন। আগামী অর্থবছরে এই সম্মানী সুবিধার আওতা আরও সম্প্রসারণ করে পর্যায়ক্রমে দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

ধর্মীয় শিক্ষা ও হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও সাশ্রয়ী, সহজ এবং সুশৃঙ্খল করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের কারিগরি ও ধর্মীয় প্রশিক্ষণের সুযোগ এবং লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ওয়াকফ সম্পত্তির সুরক্ষা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ওয়াকফ সম্পত্তির অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ১১টি ওয়াকফ এস্টেটের প্রায় ২৮ দশমিক ২০ একর জমি উদ্ধার করা হয়েছে। সরকারের নৈতিক ও সামাজিক দর্শন তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা ধর্মীয় বিভাজনের বিপরীতে সংহতি ও সাম্যে বিশ্বাস করি। নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি নিশ্চিতকরণ, নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং ধর্মীয় প্রধানদের সামাজিক মর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”