বন্ধ করুন
কর্মে অবহেলা আমানতের খেয়ানত: ইসলামে কঠোর হুঁশিয়ারি
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


কর্মে অবহেলা আমানতের খেয়ানত: ইসলামে কঠোর হুঁশিয়ারি


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
কর্মে অবহেলা আমানতের খেয়ানত: ইসলামে কঠোর হুঁশিয়ারি
কর্মে অবহেলা আমানতের খেয়ানত: ইসলামে কঠোর হুঁশিয়ারি
Featured Image

ইসলাম শ্রমকে কেবল জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম হিসেবে দেখে না, বরং এটিকে ইবাদতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। একজন মানুষ তার কর্মক্ষেত্রে যে দায়িত্ব পালন করেন, তা যদি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পন্ন করেন, তবে তিনি মহান আল্লাহর কাছে উচ্চ মর্যাদা লাভ করেন। ইসলামে যেমন শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, তেমনি দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও ফাঁকিবাজিকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ইসলামী বিধান অনুযায়ী, একজন শ্রমিকের প্রধান কর্তব্য হলো চুক্তির শর্ত মেনে নির্ধারিত কাজ যথাযথভাবে সম্পাদন করা। কাজের সময় বজায় রাখা, কাজের মান রক্ষা এবং সততা বজায় রাখা শ্রমিকের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ ওই শ্রমিককে ভালোবাসেন, যে সুন্দরভাবে কাজ সম্পন্ন করে।’ (সহিহুল জামে ১৮৯১) — এই হাদিস থেকে কর্মের মান ও নিষ্ঠার গুরুত্ব স্পষ্ট হয়।

তবে বর্তমান সময়ে কর্মক্ষেত্রে দায়িত্বে অবহেলার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই নির্ধারিত কাজ ঠিকভাবে না করেও উপস্থিতির খাতায় স্বাক্ষর করে পূর্ণ বেতন গ্রহণ করেন। ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী, এটি আমানতের খেয়ানত এবং অন্যের অধিকার নষ্ট করার শামিল। কাজে ফাঁকি দিয়ে অর্জিত অর্থ বা বেতন পরকালে ভয়াবহ বিচারের সম্মুখীন করতে পারে।

পক্ষান্তরে, যারা সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন তাদের জন্য রয়েছে বিশেষ সুসংবাদ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তিন শ্রেণির লোককে দ্বিগুণ সওয়াব প্রদান করা হবে। তাদের মধ্যে এক শ্রেণি হলো ওই শ্রমিক, যে নিজের মালিকের হক আদায় করে এবং আল্লাহর হকও আদায় করে।’ (মিশকাতুল মাসাবিহ ১১)। প্রতিটি শ্রমিকের উচিত নিজের পেশাগত দায়িত্বকে একটি পবিত্র 'আমানত' হিসেবে গ্রহণ করা। সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করলে যেমন দুনিয়ায় রিজিকে বরকত আসবে, তেমনি আখেরাতেও মিলবে মহান পুরস্কার।