বন্ধ করুন
বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালান থামছে না কেন
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালান থামছে না কেন


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালান থামছে না কেন
বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালান থামছে না কেন
Featured Image

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর যেন স্বর্ণ চোরাচালানের একটি অবাধ ও নিরাপদ করিডরে পরিণত হয়েছে। একের পর এক অভিযান আর হাজার হাজার কিলোগ্রাম স্বর্ণ জব্দের খতিয়ানকে আপাতদৃষ্টিতে কর্তৃপক্ষের তৎপরতা মনে হলেও মুদ্রার অপর পিঠে রয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বল দিক। শনিবার যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে গত পাঁচ বছরে প্রায় দুই হাজার কেজি স্বর্ণ উদ্ধার কিংবা পাঁচ শতাধিক মামলার যেসব তথ্য উঠে এসেছে, তাতে স্পষ্ট যে আকাশপথে স্বর্ণ চোরাচালান দিন দিন আরও বিস্তৃত হচ্ছে।

বিদেশের মাটিতে বসে মাফিয়ারা ছক কষছে, আর দেশের ভেতরে অনায়াসে ঢুকছে কোটি কোটি টাকার অবৈধ চালান অথচ প্রতিবারই কেবল ধরা পড়ছে কিছু ভাড়াটে বাহক। পুরো প্রক্রিয়ার নেপথ্যের মূল হোতারা বরাবরের মতোই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে এবং এই আন্তর্জাতিক অপরাধ নেটওয়ার্ক বিমানবন্দরের ভেতরের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতাতেই ডালপালা মেলছে। পাচারের পদ্ধতি বহু পুরোনো হওয়া সত্ত্বেও তা কেন বন্ধ হচ্ছে না এবং কীভাবে শত শত কেজির স্বর্ণ অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল গলে বাইরে বেরিয়ে যায়, তা বড় প্রশ্ন।

কেবল চুনোপুঁটি বা বাহক ধরে সাফল্যের তথ্য প্রচার করলে হবে না, বরং কাস্টমস, সিভিল এভিয়েশন, বিমানবন্দর পুলিশ ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্বে থাকা সব সংস্থার ভেতরের কালো হাতগুলো চিহ্নিত করতে হবে। সংবেদনশীল পদে থাকা কর্মীদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় পরপর বাধ্যতামূলক রোটেশন বা বদলির নিয়ম কার্যকর করার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বডি স্ক্যানার ও লাগেজ এক্স-রে প্রযুক্তি ব্যবহার করা জরুরি।

বিদেশের মাটিতে অবস্থানকারী মাফিয়া ডনদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে ইন্টারপোলের সহায়তায় আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়া কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বারকে অপরাধীদের অভয়ারণ্য হতে দিলে তা রাষ্ট্রের সার্বিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সুরক্ষাকে বড় ঝুঁকিতে ফেলবে। রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রশাসনিক জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চোরাচালানের সিন্ডিকেট উপড়ে ফেলতে সব পক্ষ কার্যকর উদ্যোগ নেবে এটাই প্রত্যাশা।