বন্ধ করুন
আদালত প্রাঙ্গণে হাজতির পাউরুটিতে গাঁজা-ইয়াবা, তদন্তের নির্দেশ
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


আদালত প্রাঙ্গণে হাজতির পাউরুটিতে গাঁজা-ইয়াবা, তদন্তের নির্দেশ


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
আদালত প্রাঙ্গণে হাজতির পাউরুটিতে গাঁজা-ইয়াবা, তদন্তের নির্দেশ
আদালত প্রাঙ্গণে হাজতির পাউরুটিতে গাঁজা-ইয়াবা, তদন্তের নির্দেশ
Featured Image

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত প্রাঙ্গণে এক হাজতি আসামির হাতে থাকা পাউরুটির ভেতর থেকে গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। গত রোববার (২ আগস্ট) সিএমএম ১১ নম্বর আদালত থেকে শুনানি শেষে হাজতখানায় নেওয়ার সময় মামুন নামের এক আসামির কাছ থেকে এই মাদক জব্দ করে পুলিশ।

আদালত সূত্র জানায়, নিয়মিত হাজিরার অংশ হিসেবে আসামি মামুনকে সিএমএম ১১ নম্বর আদালতে উপস্থিত করা হয়েছিল। শুনানি শেষে এসকর্ট পুলিশ তাকে ফের হাজতখানার দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। আদালত প্রাঙ্গণের সিঁড়ির কাছে এসে মামুনের কয়েকজন স্বজন দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবলকে একটি পাউরুটি দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।

প্রথমে রাজি না হলেও ‘মানবিক দিক’ বিবেচনা করে কনস্টেবল পাউরুটিটি আসামির হাতে দিতে দেন। পরবর্তী সময়ে হাজতখানার মূল ফটকে প্রবেশের মুখে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা তল্লাশি চালান। সন্দেহ হলে পাউরুটিটি ভালোভাবে পরীক্ষা করা হয়।

একপর্যায়ে পাউরুটির একপাশে ছোট ছিদ্র দেখতে পেয়ে তা খুঁটিয়ে দেখলে কাগজে মোড়ানো তিনটি গাঁজার পুরিয়া এবং তিনটি ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। ঘটনার বিবরণ দিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের কনস্টেবল শাহেদ বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের স্পষ্ট নির্দেশ ছিল কোনো খাবার বা প্যাকেট ভেতরে নেওয়া যাবে না।

তবে আসামির স্বজনদের জোরাজুরির কারণে মানবিক বিবেচনায় তিনি পাউরুটিটি আসামির হাতে দিতে দিয়েছিলেন। হাজতখানার গেটে বুঝিয়ে দেওয়ার পরই তিনি তল্লাশিতে মাদক উদ্ধারের বিষয়টি জানতে পারেন। এ বিষয়ে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল বলেন, বিষয়টি একটি গুরুতর নিরাপত্তাজনটি ত্রুটি।

আসামি ও খাবার সরবরাহকারী স্বজনদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, আদালতের হাজতখানা এবং জেলখানা থেকে আসামি আনা-নেওয়ার সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে পুলিশ সদস্যদের আবারও সতর্ক ও ব্রিফ করা হয়েছে। প্রতিদিন সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।