বন্ধ করুন
বৃষ্টির রাতে গৃহবধূর প্রেশার মাপতে গিয়ে বিপাকে গ্রাম্য চিকিৎসক!
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ২৯ আগস্ট ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ২৯ আগস্ট ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


বৃষ্টির রাতে গৃহবধূর প্রেশার মাপতে গিয়ে বিপাকে গ্রাম্য চিকিৎসক!


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
বৃষ্টির রাতে গৃহবধূর প্রেশার মাপতে গিয়ে বিপাকে গ্রাম্য চিকিৎসক!
বৃষ্টির রাতে গৃহবধূর প্রেশার মাপতে গিয়ে বিপাকে গ্রাম্য চিকিৎসক!
Featured Image

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের একটি বাড়িতে গভীর রাতে এক গ্রাম্য চিকিৎসককে ঘিরে সৃষ্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে দুই দফা সালিস বৈঠক হলেও এখনও কোনো সমাধান হয়নি।

ঘটনাটি উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৯ জুলাই গভীর রাতে মো. শফিউল্লাহ নামে এক গ্রাম্য চিকিৎসক এক গৃহবধূর বাড়িতে যান। এ সময় বাড়ির স্বজনেরা তাকে দেখতে পেয়ে আপত্তি জানান। একপর্যায়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তিনি সেখান থেকে চলে যান। পরে ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই ওই চিকিৎসক ও গৃহবধূকে নিয়ে নানা আলোচনা ছিল। ঘটনার পর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. রফিকুল ইসলামের উদ্যোগে দুই দফা সালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি।

ওই গৃহবধূ অভিযোগ করেন, তার স্বামী ঢাকায় একটি করাতকলে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। অভাবের কারণে তিনি দুই সন্তান নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন। তার দাবি, গ্রাম্য চিকিৎসক শফিউল্লাহ বিভিন্ন সময় তাকে ফোন করে বিরক্ত করতেন এবং বিয়ের প্রস্তাব দিতেন। ঘটনার রাতে বৃষ্টির মধ্যে দরজায় এসে ডাকাডাকির পর তিনি দরজা খুললে চিকিৎসক জোর করে ঘরে প্রবেশ করেন। পরে বাড়ির স্বজনেরা এসে তাকে দেখতে পান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গ্রাম্য চিকিৎসক মো. শফিউল্লাহ। তিনি বলেন, গভীর রাতে ওই গৃহবধূ তাকে ফোন করে রক্তচাপ (প্রেশার) বেড়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে ডাকেন। রোগী দেখতে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। ঘরে প্রবেশের কিছুক্ষণের মধ্যেই লোকজন এসে তাকে ঘিরে ধরে এবং ভিডিওধারণ শুরু করলে, তিনি ভয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যান। তার দাবি, ওই পরিবারের সঙ্গে তার আর্থিক লেনদেনও ছিল এবং তিনি গৃহবধূর স্বামীকে বিভিন্ন সময় টাকা ধার দিয়েছেন।

ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা রয়েছে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য দুই দফা সালিস বৈঠক করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি।