বন্ধ করুন
খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ে ৩৯৭ শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষা উপকরণ
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ে ৩৯৭ শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষা উপকরণ


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬ প্রিন্ট:
খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ে ৩৯৭ শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষা উপকরণ
খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ে ৩৯৭ শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষা উপকরণ
Featured Image

খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ি এলাকার সাতটি বিদ্যালয় ও শিক্ষাকেন্দ্রের ৩৯৭ জন সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষা উপকরণ হিসেবে চক ও স্লেট তুলে দেওয়া হয়েছে। শিশুদের শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এলিভেটিং সোসাইটি ফর স্কিল ডেভেলপমেন্ট (ইএসএসডি) এ উদ্যোগ নেয়। এই আয়োজনে সহযোগিতা করেছে ডিবিএল সিরামিকস লিমিটেডের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল।

গত ২৬ থেকে ২৮ জুলাই খাগড়াছড়ি সদর, মাটিরাঙ্গা ও পানছড়ি উপজেলার বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় গিয়ে এসব শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। ইএসএসডি-এর পরিচালক (ম্যানেজমেন্ট, প্রোগ্রামস ও ফাইন্যান্স) শাদমান বিন সামাদ এবং প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফারহান সরাসরি এ কার্যক্রমে অংশ নেন। সংস্থাটির মতে, সঠিক সহযোগিতা পেলে পাহাড়ি এলাকার শিশুদের শিক্ষাজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

কর্মসূচির আওতায় খাগড়াছড়ি সদরের উত্তর গঞ্জপাড়া নন-গভর্নমেন্ট প্রাইমারি স্কুলের ৮৩ জন, রবিধন পাড়া নন-গভর্নমেন্ট প্রাইমারি স্কুলের ৭৩ জন, মাটিরাঙ্গার দলদলি আশা হফনং নন-গভর্নমেন্ট প্রাইমারি স্কুলের ৯২ জন এবং আদর্শগ্রাম আনোয়ারা বেগম তা’লিমুল কোরআন মাদ্রাসার ৯৯ জন শিক্ষার্থী এসব উপকরণ পায়। পাশাপাশি পানছড়ির পূর্ব ডমডমপাড়া কেন্দ্র, ডমডমপাড়া কেন্দ্র ও সাঁওতালপাড়া কেন্দ্রের শিক্ষার্থীরাও এই সহায়তার আওতায় এসেছে।

মাঠপর্যায়ে গিয়ে দেখা যায়, সরু কাঁচা রাস্তা ও দুর্গম পথ পাড়ি দিতে চাঁদের গাড়ি ও মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে হয়েছে। এমনকি রবিধন পাড়ার মতো বিদ্যালয়গুলো নিকটবর্তী বাজার থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। পাশাপাশি স্থানীয় পরিবারগুলোকে ৭ থেকে ১০ কিলোমিটার পথ হেঁটে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হয়। পাহাড়ি অঞ্চলে যাতায়াত ও পানির তীব্র সংকট থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ইএসএসডি জানিয়েছে, দুর্গম এলাকায় শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ ভবিষ্যতেও জারি রাখা হবে।