দেশের বাজারে থাকা অধিকাংশ টুথপেস্টের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করছে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক। সম্প্রতি বেসরকারি সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের এক পরীক্ষায় দেশে তৈরি ও আমদানি করা ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতেই এই বিষাক্ত উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এমনকি শিশুদের টুথপেস্টেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের সন্ধান মিলেছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন টুথপেস্ট ব্যবহারের মাধ্যমে অজান্তেই শরীরে বিষ ঢুকছে। এই মাইক্রোপ্লাস্টিক শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ, স্নায়ুরোগ, ফুসফুসের প্রদাহ ও অ্যাজমাসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। একই সঙ্গে এটি মানবদেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও দুর্বল করে দেয়।
এক জরিপে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীদের ৪১ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ জানতেনই না যে তারা নিয়মিত টুথপেস্টের মাধ্যমে মাইক্রোপ্লাস্টিক গ্রহণ করছেন। টুথপেস্টের প্যাকেটে উপাদানের নাম উল্লেখ না থাকা এবং পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণার অভাবে এতদিন বিষয়টি ব্যবহারকারীদের অজানা ছিল।
এমন পরিস্থিতিতে বাজারে কেবল মাইক্রোপ্লাস্টিকমুক্ত টুথপেস্ট বিক্রির অনুমোদন দেওয়া এবং দ্রুত কার্যকর নীতিমালা তৈরি করা প্রয়োজন। এই জীবননাশী স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে বিএসটিআই-এর পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কেও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।