বন্ধ করুন
তেজগাঁওয়ে রেস্টুরেন্টে তোপের মুখে ‘আওয়ামীপন্থী’ সাংবাদিকরা মুন্নি সাহা, শাওন ও জ ই মামুন।
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


তেজগাঁওয়ে রেস্টুরেন্টে তোপের মুখে ‘আওয়ামীপন্থী’ সাংবাদিকরা মুন্নি সাহা, শাওন ও জ ই মামুন।


প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬ প্রিন্ট:
তেজগাঁওয়ে রেস্টুরেন্টে তোপের মুখে ‘আওয়ামীপন্থী’ সাংবাদিকরা মুন্নি সাহা, শাওন ও জ ই মামুন।
তেজগাঁওয়ে রেস্টুরেন্টে তোপের মুখে ‘আওয়ামীপন্থী’ সাংবাদিকরা মুন্নি সাহা, শাওন ও জ ই মামুন।
Featured Image

​ঢাকা: রাজধানীর তেজগাঁওয়ে একটি রেস্টুরেন্টে নৈশভোজ করতে গিয়ে ছাত্রজনতার তোপের মুখে পড়েছেন আওয়ামী লীগপন্থী হিসেবে পরিচিত কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। গত বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে তেজগাঁও ইমপালস হাসপাতাল সংলগ্ন 'আল মদিনা রেস্টুরেন্ট'-এ এই ঘটনা ঘটে।

​স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, সেখানে তারা সরকারবিরোধী কোনো গোপন ও ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠক করছিলেন। তোপের মুখে পড়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন সাংবাদিক জ ই মামুন, মুন্নি সাহা, প্রভাষ আমিন এবং প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন।​রেস্টুরেন্টের মালিক জিয়াউর রহমান খোকন জানান, রাত আনুমানিক পৌনে ১১টার দিকে মেহের আফরোজ শাওন, মুন্নি সাহা, জ ই মামুন ও প্রভাষ আমিনসহ কয়েকজন খাবার খেতে আসেন। তারা এর আগেও এই রেস্টুরেন্টে এসেছেন। ঘটনার সময় সেখানে আরও ৪০ থেকে ৪৫ জন গ্রাহক উপস্থিত ছিলেন।

​খাওয়ার এক পর্যায়ে রেস্টুরেন্টে থাকা অন্য গ্রাহকদের মধ্যে তাদের উপস্থিতি নিয়ে গুঞ্জন ও অসন্তোষ শুরু হয়। জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ও বিগত সরকারের পক্ষে ভূমিকার কারণে উপস্থিত ছাত্রজনতা তাদের ঘিরে ধরে জবাবদিহি চান। মুহূর্তের মধ্যে রেস্টুরেন্টের বাইরে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ মানুষ জড়ো হলে পরিস্থিতি থমথমে হয়ে ওঠে।

​ঘটনাস্থলের কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, উত্তপ্ত পরিস্থিতির মুখে মেহের আফরোজ শাওন সাংবাদিক জ ই মামুনের পাশে বসা ছিলেন এবং ক্যামেরার দিক থেকে মুখ লুকিয়ে রাখছিলেন। পরবর্তীতে রেস্টুরেন্ট থেকে বের হওয়ার সময়ও তিনি চুল দিয়ে মুখ ঢেকে রাখেন। ​প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষুব্ধ জনতা একপর্যায়ে তাদের পুলিশে সোপর্দ করতে চাইলে তারা উপস্থিত সবার কাছে ক্ষমা ও দুঃখ প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাংবাদিকরাই পুলিশে ফোন দেন। শেষ পর্যন্ত স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যস্থতায়, নিজেদের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ ও মৌখিক মুচলেকা দিয়ে তারা স্থান ত্যাগ করার অনুমতি পান। ​এই বিষয়ে জানতে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সেখান থেকে চলে যান। ​ঘটনাটি প্রসঙ্গে বক্তব্য জানতে সাংবাদিক জ ই মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।